পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন, ২০১০

পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন, ২০১০
(২০১০ সালের ৫৮ নং আইন)
জাতিসংঘ কর্তৃক ঘোষিত নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য বিলোপ সনদ, ১৯৭৯ ও শিশু অধকিার সনদ, ১৯৮৯ এবং এর স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্র হিসাবে এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবধিানে বর্ণিত নারী ও শিশুর সমঅধকিার প্রতিষ্ঠার নিমিত্তে পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ, পারিবারিক সহিংসতা হইতে নারী ও শিশুর সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধান প্রনয়নকল্পে প্রণীত আইন
যেহেতু জাতিসংঘ কর্তৃক ঘোষিত নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য বিলোপ সনদ, ১৯৭৯ ও শিশু অধিকার সনদ, ১৯৮৯ এর স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্র হিসাবে এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে বর্ণিত নারী ও শিশুর সমঅধকিার প্রতিষ্ঠার নিমিত্তে পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ, পারিবারিক সহিংসতা হইতে নারী ও শিশুর সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধান করা সমিচীন ও প্রয়োজনীয়:
সেহেতু এতদ্দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইলো:-
প্রথম অধ্যায়
প্রারম্ভিক
১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন।- (১) এই আইন পারিবারিক সহিংসতা(প্রতরিোধ ও সুরক্ষা) আইন, ২০১০ নামে অভিহিত হইবে।
(২) সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপণ দ্বারা, যে তারিখ নির্ধারণ করিবে সেই তারিখে এই আইন কার্যকর হইবে।
২। সংজ্ঞা।- বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থী কিছু না থাকিলে,এই আইনে-
(১)         ”অন্তর্বর্তীকালীন সুরক্ষা আদেশ” অর্থ ধারা ১৩ এর অধীন প্রদত্ত আদেশ;
(২)        ”অংশীদারী বাসগৃহ” অর্থ এমন বাসগৃহ-
(ক) যেখানে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি বসবাস করেন;
(খ) যেখানে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি পারিবারিক সম্পর্ক থাকা অবস্থায় প্রতিপক্ষের সহিত একত্রে বা পৃথকভাব বসবাস করিতেন;
(গ) যাহাতে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি এবং প্রতিপক্ষ এর যে কোনো একজনের বা উভয়ের মালকিানা স্বত্ব ছিল বা উহাদের যে কোনো একজন বা উভয়ইে যৌথভাব ভাড়া নিয়াছিল;
(ঘ) যাহাতে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি বা প্রতিপক্ষ এর যে কোন একজনের বা উভযের যে কোন ধরনের অধিকার, মালকিানা, স্বত্ব বা ন্যায়পরায়ণ অধিকার রহিয়াছে বা ছিল; অথবা
(ঙ)যাহাতে পরিবারের সদস্য হিসাবে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি এবং প্রতিপক্ষ এর যে কোনো একজনের বা উভয়ের যে কোনো ধরনের অধিকার, মারিকানা, স্বত্ব বা ন্যায়পরায়ণ অধিকার রহিয়াছে বা ছিল;
(৩)       ”আবেদন” অর্থ সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি অথবা তাহার পক্ষে আন্য কোনো ব্যক্তি কর্তৃক এই আইনের অধীন কোন প্রতিকার লাভের জন্য আদালতে দাখিলকৃত কোন আবেদন;
(৪)         ”আশ্রয় নিবাস” অর্থ সরকারি বা বেসরকারি উদযোগে পরিচালিত আবাসিক সুযোগ সুযোগ সুবিধা সম্বলিত কোন নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান অথবা আশ্রয় কেন্দ্র, যেখানে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি নিরাপদে সাময়িক সময়ের জন্য অবস্থান করিতে পারেন;
(৫)        ”ক্ষতিপূরণ আদেশ” অর্থ ধারা ১৬ এর অধীন প্রদত্ত কোন আদেশ;
(৬)        ”সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি” অর্থ কোন শিশু বা নারী যিনি পারিবারিক সম্পর্ক থাকিবার কারণে পরিবারের অপর কোন সদস্য কর্তৃক পারিবারিক সহিংসতার শিকার হইয়াছেন বা হইতেছেন বা সহিংসতার ঝুকির মধ্যে রহিয়াছেন;
(৭)        ”নিরাপদ আশ্রয় স্থান” অর্থ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত অথবা আদালতের বিবেচনায় ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির জন্য নিরাপদ বলিয়া বিবেচিত এমন কোন আশ্রয় বা গৃহ, যাহা কোন ব্যক্তি বা সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হয়;
(৮)        ”নিরাপদ হেফাজত আদেশ” অর্থ ধারা ১৭ এর অধীন প্রদত্ত কোন আদেশ;
(৯)        ”নারী” অর্থ যে কোন বয়সের নারী;
(১০)    ”পরিবার” অর্থ রক্ত সম্বন্ধীয় বা বৈবাহিক সম্পর্কীয় কারণে অথবা দত্তক বা যৌথ পরিবারের সদস্য হইবার কারণে যাহারা অংশীদারী বাসগৃহে একত্রে বসবাস করেন অথবা বসবাস করিতেন;
(১১)     ”পারিবারিক সম্পর্ক” অর্থ রক্ত সম্বন্ধীয় বা বৈবাহিক সম্পর্কীয় কারণে অথবা দত্তক বা যৌথ পরিবারের সদস্য হইবার কারণে প্রতিষ্ঠিত কোন সম্পর্ক;
(১২)    ”পারিবারিক সহিংসতা” অর্থ ধারা ৩ এ পারিবারিক সহিংসতা অভিব্যক্তিটি যে অর্থে ব্যবহৃত হইয়াছে;
(১৩)   ”প্রতিপক্ষ” অর্থ এমন কোন ব্যক্তি যাহার বিরুদ্ধে এই আইনের অধীন কোন আবেদন দাখিল বা প্রতিকার প্রার্থনা করা হইয়াছে;
(১৪)     ”প্রয়োগকারী কর্মকর্তা” অর্থ মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণাধীন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা বা সরকার কর্তৃক ধারা ৫ অনুসারে নিযুক্ত কোন কর্মকর্তা;
(১৫)    ”ফৌজদারী কার্যাবিধি” অর্থ ঈড়ফব ড়ভ ঈৎরসরহধষ চৎড়পবফঁৎব, ১৮৯৮ (অপঃ ঘড়. ঠ ড়ভ ১৮৯৮);
(১৬)    ”বসবাস আদেশ” অর্থ ধারা ১৫ এর অধীন প্রদত্ত কোন আদেশ;
(১৭)    ”বিধি” অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত বিধি;
(১৮)    ”শিশু” অর্থ আঠার বৎসর বয়স পূর্ণ হয় নাই এমন কোন ব্যক্তি;
(১৯)    ”সুরক্ষা আদেশ” অর্থ ধারা ১৪ এর অধীন প্রদত্ত কোন আদেশ।
দ্বিতীয অধ্যায়
পারিবারিক সহিংসতা
৩। পারিবারিক সহিংসতা।- এই আইনের উদ্দশ্যে পূরণকল্প পারিবারিক সহিংসতা বলিতে পারিবারিক সম্পর্ক রহিয়াছে এমন কোন ব্যক্তি কর্তৃক পরিবারের অপর কোন নারী বা শিশু সদস্যের উপর শারীরিক নির্যাতন, মানসিক নির্যাতন, যৌন নির্যাতন অথবা আর্থিক ক্ষতি বুঝাইবে।
ব্যাখ্যাঃ এই ধারার উদ্দশ্যে পূরণকল্পে-
(ক)   ”শারীরিক নির্যাতন” অর্থ এমন কোন কাজ বা আচরণ করা, যাহা দ্বারা সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির জীবন, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা বা শরীরের কোন অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্থ হয় অথবা ক্ষতিগ্রস্থ হইবার সম্ভাবনা থাকে এবং সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিকে অপরাধমূলক কাজ করিতে বাধ্য করা বা প্ররোচনা প্রদান করা বা বলপ্রয়োগও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে;
(খ)   ”মানসিক নির্যাতন” অর্থ নিম্নবর্ণিত বিষয়সমূহ ও অন্তর্ভূক্ত হইবে,যথাঃ-
(অ) মৌখিক নির্যাতন, অপমান, অবজ্ঞা, ভীতি পরিদর্শন বা এমন কোন উক্তি করা, যাহা দ্বারা সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়;
(আ) হয়রানি অথবা
(ই) ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ অর্থাৎ স্বাভাবিক চলাচল, যোগাযোগ বা ব্যক্তিগত ইচ্ছা বা মতামত প্রকাশের উপর হস্তক্ষেপ;
(গ)   ”যৌন নির্যাতন” অর্থ যৌন প্রকৃতির এমন আচরণও অন্তর্ভুক্ত হইবে,যাহা দ্বারা সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির সম্ভ্রম, সম্মান বা সুনামের ক্ষতি হয়;
(ঘ)   ”আর্থিক ক্ষতি” অর্থ নিম্নবর্ণিত বিষয়সমূহও অন্তর্ভুক্ত হইবে, যথাঃ-
(অ) আইন বা প্রথা অনুসারে বা কোন আদালত বা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ অনুযায়ী সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি যে সকল আর্থিক সুযোগ-সুবধিা, সম্পদ বা সম্পত্তি লাভের অধিকারী উহা হইতে তাহাকে বঞ্চিত করা অথবা উহার উপর তাহার বৈধ অধকিার প্রয়োগে বাধা প্রদান;
(আ) সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিকে নিত্যব্যবহার্য জিনিসপত্র প্রদান না করা;
(ই) বিবাহের সময় প্রাপ্ত উপহার বা স্ত্রীধন বা অন্য কোন দান বা উপহার হিসাবে প্রাপ্ত কোন সম্পদ হইতে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিকে বঞ্চিত করা বা উহার উপর তাহার বৈধ অধকিার প্রয়োগে বাধা প্রদান;
(ঈ)  সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির মালিকানাধীন যে কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি তাহার অনুমতি ব্যতিরেকে হস্তান্তর করা বা উহার উপর তাহার বৈধ অধকিার প্রয়োগে বাধা প্রদান; অথবা
(এ)  পারিবারিক সম্পর্কের কারণে যে সকল সম্পদ বা সুযোগ-সুবিধাদিতে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির ব্যবহার বা ভোগদখলের অধিকার উহা হইতে তাহাকে বঞ্চিত করা বা উহার উপর তাহার বৈধ অধিকার প্রয়োগে বাদা প্রদান।
তৃতীয় অধ্যায়
পুলিশ অফিসার,  প্রয়োগকারী কর্মকর্তা এবং সেবা প্রদানকারীর দায়িত্ব ও কর্তব্য ইত্যাদি
৪। পুলশি অফিসারের দায়িত্ব ও কর্তব্য।- যদি কোন পুলিশ অফিসার কোনোভাবে পারিবারিক সহিংসতার সংবাদ প্রাপ্ত হন অথবা পারিবারিক সহিংসতা যে স্থানে ঘটিয়াছেসে স্থানে উপস্থিত থাকিবার কারণে পারিবারিক সহিংসতা সম্পর্কে তথ্য প্রাপ্ত হন, তাহা তাহা হইলে তিনি পারিবারিক সহিংসতার শিকার ব্যক্তিকে নিম্নবর্ণীত বিষয়সমূহ অবহিত করিবেন, যথাঃ-
(ক) এই আইন অনুসারে প্রতিকার পাইবার অধিকার;
(খ) চিকিতসা সেবা প্রাপ্তির সুযোগ;
(গ) প্রয়োগকারী কর্মকর্তার নিকট হইতে সেবা প্রাপ্তির সুযোগ;
(ঘ)  প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ (২০০০ সনরে ৬ নং আইন) অনুসারে বিনা খরচে আইনগত পরামর্শ ও সহায়তা প্রাপ্তি ;
(ঙ) অন্য কোন আইন অনুসারে প্রতিকার প্রাপ্তির উপায়; এবং
(চ)  সরকার কর্তৃক বিধি দ্বারা নির্ধারিত অন্যান্য দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন।
৫। প্রয়োগকারী কর্মকর্তা নিয়োগ।- (১) সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের উদ্দশ্যে পূরণকল্পে, ক্ষেত্রমত, প্রত্যেক উপজেলা, থানা, জেলা বা মেট্রপলিটন এলাকার জন্য এক বা একাধিক প্রয়োগকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করিতে পারিবে এবং প্রয়োগকারী কর্মকর্তা কর্তৃক দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের জন্য তাহাদের অধিক্ষেত্র নির্ধারণ করিয়া দিতে পারিবে।
(২)  প্রয়োগকারী কর্মকর্তার নিয়োগ পদ্ধতি এবং চাকুরীর শর্তাবলী বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে।
৬। প্রয়োগকারী কর্মকর্তার দায়িত্ব ও কর্তব্য।- (১) প্রয়োগকারী কর্মকর্তার দায়িত্ব ও কর্তব্য হইবে নিম্নরূপ, যথাঃ-
(ক)  এই আইন অনুসারে কার্য সম্পাদনের ক্ষেত্রে আদালতকে সহযোগিতা করা;
(খ) পারিবারিক সহিংসতার ঘটনাবলী সম্পর্কে আদালতের নিকট প্রতিবেদন উপস্থাপন;
(গ)  পারিবারিক সহিংসতার ঘটনা অবহিত হইবার পর হইবার পর যে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অধিক্ষেত্রের মধ্যে ঘটনাটি সংঘটিত হইয়াছে সেই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অবহিত করা;
(ঘ)  সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির অনুরোধের প্রেক্ষিতে আদালতের নিকট সুরক্ষা আদেশের জন্য আবেদন পেশ;
(ঙ)  সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি যাহাতে আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ (২০০০ সনরে ৬ নং আইন) অনুসারে বিনা খরচায় আইনগত সহায়তা এবং বিনামূল্যে দরখাস্ত দাখিলসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করিতে পারে সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান;
(চ) আদালতের অধিক্ষেত্রের মধ্যে আইনগত সহায়তা প্রদানকারী সংস্থা, মানবাধিকার সংস্থা, মনস্তাত্বিক ও সামাজিক পরামর্শ সেবাপ্রদানকারী সংস্থা, আশ্রয় নিবাস এবং চিকিৎসা সেবাপ্রদানকারী সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের তালিকা সংরক্ষণ;
(ছ)  সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির সম্মতি ও অভিপ্রায় আনুসারে তাহাকে আশ্রয় নিবাস প্রেরণ এবং উক্তরূপ প্রেরণের বিষয়টি আধিক্ষেত্র সম্পন্ন ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা এবং আদালতকে অবহতিকরণ;
(জ) প্রয়োজন অনুসারে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিকে স্বাস্থ্যগত পরীক্ষার জন্য প্রেরণ করিয়া উহার অনুলিপি অধিক্ষেত্র সম্পন্ন ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা এবং আদালতকে অবহিতকরণ;
(ঝ)  ক্ষতিপূরণ আদেশ প্রতিপালনের বিষয় নিশ্চিতকরণ; এবং
(ঞ) সরকার কর্তৃক বিধি দ্বারা নির্ধারিত অন্যান্য দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন।
(২) প্রয়োগকারী কর্মকর্তা আদালতের তত্ত্বাবধানে থাকিয়া সরকার বা আদালতের নির্দেশে এবং এই আইন অনুসারে তাঁহার উপর অর্পিত দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পাদন করিবে।
৭। সেবা প্রদানকারী এবং উহাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য।- (১) এই আইন এবং তদধীন প্রণীত বিধির বিধান সাপেক্ষে ঝড়পরবঃরবং জবমরংঃৎধঃরড়হ অপঃ, ১৮৬০ (অপঃ ঘড়. ঢঢও ড়ভ ১৮৬০) এর অধীন নিবন্ধিত কোনো স্বেচ্ছাসেবী সমিতি, ঠড়ষঁহঃধৎু ঝড়পরধষ ডবষভধৎব অমবহপরবং (জবমরংঃৎধঃরড়হ ধহফ ঈড়হঃৎড়ষ) ঙৎফরহধহপব, ১৯৬১ (ঙৎফরহধহপব ঘড়. ঢখঠও ড়ভ ১৯৬১) অথবা কোম্পানী আইন, ১৯৯৪ (১৯৯৪ সনের ১৮ নং আইন) এর অধীন নিবন্ধিত কোন অলাভজনক কোম্পানী বা প্রতিষ্ঠান অথবা ঋড়ৎবরমহ উড়হধঃরড়হং (ঠড়ষঁহঃধৎু অপঃরারঃরবং) জবমঁষধঃরড়হ ঙৎফরহধহপব, ১৯৭৮ (ঙৎফরহধহপব ঘড়. ঢখঠও ড়ভ ১৯৭৮) এর অধীন এনজিও বিষয়ক ব্যুরোতে নিবন্ধিত কোন অলাভজনক সংস্থা বা অন্য কোন প্রতিষ্ঠান, যাহা আপাততঃ বলবৎ কোন আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত এবং যাহার উদ্দেশ্যাবলীর মধ্যে মানবাধিকার বিশেষত মহিলা ও শিশুদের স্বার্থ ও অধিকার সংরক্ষণ অন্তর্ভুক্ত এবং যাহা উক্ত উদ্দেশ্য বাস্তবায়নার্থে আইনগত সহায়তা, চিকিৎসা, আর্থিক বা অন্যকোন সহায়তা প্রদানের নিমিত্তে এই আইনের উদ্দশ্যে পূরণকল্পে সরকার কর্তৃক স্বীকৃতি লাভ করিয়াছে এইরূপ প্রতিষ্ঠানসমূহ এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সেবা প্রদানকারী বলিয়া গণ্য হইবে।
(২)   সেবা প্রদানকারীর দায়িত্ব ও কর্তব্য হইবে নিম্নরূপ, যথাঃ-
(ক) সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির সম্মতির ভিত্তিতে পারিবারিক সহিংসতার ঘটনা নির্ধারিত ফরমে লিপিবদ্ধকরণ এবং যেই আদালত এবং প্রয়োগকারি কর্মকর্তার অধিক্ষেত্রের মধ্যে পারিবারিক সহিংসতা সংঘটিত হয়, তাহাদেরকে অনুলিপি প্রেরণ ;
(খ) সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ এবঙ স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট সংশ্লিষ্ট অধিক্ষেত্রের প্রয়োগকারী কর্মকর্তা এবং থানায় প্রেরণ;
(গ) সংক্ষুব্ধ বক্তিকে আশ্রয় নিবাস প্রেরণের ব্যবস্থা গ্রহণ এবং উক্তরূপ প্রেরণের বিষয়টি নিকটবর্তী থানাকে অবহিত করণ;
(ঘ)  সরকার কর্তৃক বিধি দ্বারা নির্ধারিত অন্যান্য দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন।
৮। আশ্রয় নিবাসের দায়িত্ব।- সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি বা তাহার পক্ষে কোনো পুলিশ আফিসার,প্রয়োগকারী কর্মকর্তা, বা অন্য কোনো ব্যক্তির অনুরোধের প্রেক্ষিতে আশ্রয় নিবাসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিকে আশ্রয় প্রদান করিবে।
৯। চিকিৎসা সেবা প্রদানকারির দায়িত্ব।- সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি বা তাহার পক্ষে কোনো পুলিশ আফিসার, প্রয়োগকারী কর্মকর্তা ।
চতুর্থ অধ্যায়
সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির অধিকার, প্রতিকার প্রাপ্তি ইত্যাদি
১০। অংশীদারী বাসগৃহে বসবাসের অধিকার। সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির পারিবারিক সম্পর্ক থাকার কারণে অংশীদারী বাসগৃহে বসবাসের অধিকার থাকিবে ঃ-
১১। আদালতে আবেদন।- (১) সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি বা তাহার পক্ষে কোন প্রয়োগকারী কর্মকর্তা, সেবাপ্রদানকারী বা অন্য কোন ব্যক্তি এই আইনের অধীন প্রতিকার পাইবার জন্য আবেদন করিতে পারিবেন।
(২)   উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রতিটি আবেদন বিধি দ্বারা নির্ধারিত ফরমেকরিতে হইবে।
(৩)   উপ-ধারা (১) এর অধীন আবদেন প্রাপ্তির ৭ (সাত) কার্যদিবসের মধ্যে আদালত সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদন শুনানীর জন্য তারিখ নির্ধারণ করিবে।
১২। আবদেন দাখিলের স্থান।- এই আইনের অধীন কোন আবেদন নিম্নবর্ণিত স্থানের অধিক্ষেত্রে সম্পন্ন কোন আদালতে দাখিল করা যাইবে-
(ক)  যে স্থানে আবেদনকারী বসবাস করেন;
(খ)  যে স্থানে প্রতিপক্ষ বসবাস করেন;
(গ)  পারিবারিক সহিংসতা যে স্থানে হইয়াছে;ে বা
(ঘ)  সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি যেখানে আস্থায়ীভাবে বসবাস করেন।
১৩। অন্তর্বর্তীকালীন সুরক্ষা আদেশ ও নোটিশ জারী।- (১) ধারা ১১ এর অধীন কোন আবেদন প্রাপ্তির পর আদালত যদি আবেদন পত্রের সহিত উপস্থাপিত তথ্যাদি পর্যালোচনা করিয়া এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, প্রতিপক্ষ কর্তৃক বা তাহার প্ররোচনায় কোনরূপ পারিবারিক সহিংসতা ঘটিয়াছে বা ঘটিবার সম্ভাবনা রহিয়াছে, তাহা হইলে আদালত প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে একতরফাভাবে অর্ন্তবর্তীকালীন সুরক্ষা আদেশ প্রদান করিতে পারিবে এবং কোনো স্থায়ী সুরক্ষা আদেশ প্রদান করা হইবে না, নোটিশ প্রাপ্তির ৭ (সাত) কার্যদবিসের মধ্যে, উহার কারণ দর্শাইবার জন্য প্রতিপক্ষকে নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে।
(২) রেজিস্টার্ড ডাকযোগে, জারী কারক, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বা বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে নোটিশ জারী করা যাইবে।
১৪। সুরক্ষা আদশে।- সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি ও প্রতিপক্ষকে শুনানীর সুযোগ প্রদান করিয়া আদালত যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, পারিবারিক সহিংসতা ঘটিয়াছে বা ঘটিবার সম্ভাবনা রহিয়াছে, তাহা হইলে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির পক্ষে সুরক্ষা আদেশ প্রদান করিতে পারিবে এবং প্রতিপক্ষকে নিম্নবর্ণিত কাজ করা হইতে বিরত থাকিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে, যথাঃ-
(ক)  পারিবারিক সহিংসতামূলক কোন কাজ সংঘটন;
(খ)  পারিবারিক সহিংসতামূলক কাজ সংঘটনে সহায়তা করা বা প্ররোচনা প্রদান;
(গ) সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির কর্মস্থল, ব্যবসা বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা অন্যকোন প্রতিষ্ঠান যেখানে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি সচরাচর যাতায়াত করেন ;
(ঘ)  সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির সহিত ব্যক্তিগত, লিখিত, টেলিফোন, মোবাইল ফোন, ই-মেইল বা অন্য কোন উপায় যোগাযোগ;
(ঙ)  সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির উপর নির্ভরশীল বা তাহার কোন আত্মীয় বা অন্যকোন ব্যক্তি, যিনি তাহাকে পারিবারিক সহিংসতা হইতে হইতে রক্ষার জন্য সহায়তা প্রদান করিয়াছেন উক্তরূপ ব্যক্তির প্রতি সহিংসতামূলক কাজ;
(চ)  সুরক্ষা আদেশে উল্লেখিত অন্য যে কোন কাজ।
১৫। বসবাস আদেশ।- (১) সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত নিম্নরূপ বসবাস আদেশ প্রদান করিতে পারিবে, যথাঃ-
(ক)  সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি যে অংশীদারী বাসগৃহে বা উহার যে অংশে বসবাস করেন সেই গৃহে বা অংশে প্রতিপক্ষকে বাসবাস করিবার বা যাতায়াত করিবার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ;
(খ)  সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিকে অংশীদারী বাসগৃহ বা উহার কোন অংশ হইতে বেদখল করা বা ভোগ দখলে কোনরূপ বাধা সৃষ্টি সংক্রান্ত কার্য হইতে প্রতিপক্ষকে বিরত করা;
(গ)  আদালতের নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, সুরক্ষা আদেশ বলবৎ থাকা অবস্থায় অংশীদারী বাসগৃহ সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি বা তাহার সন্তানের জন্য নিরাপদ নয়, তাহা হইলে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির সম্মতির প্রেক্ষিতে আদালতের নির্দেশে প্রয়োগকারী কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির জন্য নিরাপদ আশ্রয় স্থানের ব্যবস্থা করা;
(ঘ)  উপযুক্ত বলিয়া বিবেচিত হইলে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির জন্য অংশীদারী বাসগৃহের বিকল্প বাসস্থান বা অনুরূপ বাসস্থানের জন্য ভাড়া প্রদানের জন্য প্রতিপক্ষকে নির্দেশ;
(ঙ)  সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিকে প্রয়োগকারী কর্মকর্তাসহ অংশীদারী বাসগৃহে প্রবেশের অনুমতি প্রদানের আদেশ, যাহাতে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি উক্ত বাসগৃহ হইতে তাহার বক্তিগত ও মালিকানাধীন জিনিসপত্র, যেমন- চিকিৎসা, শিক্ষা ও পেশাগত দলিলাদি ও সনদপত্রসহ যে কোন ধরনের দলিল, পাসপোর্ট, চেক বই, সঞ্চয়পত্র, বিনিয়োগ ও ব্যাংক হিসাব এবং আয়কর সম্পর্কিত কাগজপত্র, স্বর্ণালংকার, নগদ অর্থ, মোবাইল ফোন, গৃহস্থালী জিনিসপত্র এবং অন্যান্য যে কোন সামগ্রী সংগ্রহ করিতে পারেন;
(চ)  সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি কর্তৃক ব্যবহৃত এবং ব্যয় বহনকৃত যানবাহন ব্যবহার অব্যাহত রাখিবার নিমিত্তে প্রতিপক্ষকে আদেশ প্রদান।
(২)  অংশীদারী বাসগৃহের সম্পূর্ণ বা অংশ বিশেষ সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির অনুকূলে দখল রাখিবার আদেশ প্রদান করা হইলেও উক্ত আদেশ উক্ত বাসগৃহে প্রতিপক্ষের স্বত্ব ও স্বার্থ ক্ষুন্ন করিবেনা।
(৩)  যদি আদালতের এই মর্মে বিশ্বাস করিবার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে, সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করিবার জন্য প্রতপিক্ষকে অংশীদারী বাসগৃহ হইতে সাময়কিভাব উচ্ছেদ করা প্রয়োজন, তাহা হইলে আদালত প্রতপিক্ষকে অংশীদারী বাসগৃহ হইতে সাময়িক উচ্ছেদের আদেশ প্রদান করিতে পারিবে
তবে শর্ত থাকে যে, এইরূপ আদেশ অকার্যকর হইবে, যদি-
(ক) সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির জন্য সুবধিাজনক নিরাপদ আশ্রয় বা নিরাপদ স্থান বা বিকল্প বাসগৃহ প্রদান করা সম্ভব না হয়; অথবা
(খ) আদালতের নিকট সন্তোষজনকভাব প্রতীয়মান হয় যে, উক্তরূপ উচ্ছেদ আদেশ বহাল রাখিবার আর কোন প্রয়োজন নাই।
(৪)  আদালতের নিকট উপযুক্ত বলিয়া বিবেচিত হইলে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি বা তাহার সন্তান অথবা তাহার পরিবারের অন্য কোন সদস্যের নিরাপত্তার স্বার্থে অন্য যে কোন শর্ত আরোপ বা নির্দেশনা প্রদান করিতে পারিবে।
(৫)  প্রতপিক্ষকে জামানতসহ বা জামানত ব্যতীত এই মর্মে মুচলেকা সম্পাদনের আদেশ দিতে পারিবে যে,তিনি বা তাহার পরিবারের অন্য কোন সদস্য ভবষ্যিতেপারিবারিক সহিংসতামূলক কাজ করিবে না।
(৬)  উপ-ধারা (১), (২) অথবা (৩) এর অধীন আদশে প্রদানরে সময় আদালত সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি বা তাহার সন্তানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করিবার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রয়োনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য লিখিত আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
(৭)  আদালত সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির মালিকানাধীন যে কোন স্থাবর সম্পত্তি,স্ত্রীধন, উপহার সামগ্রী বা বিবাহের সময় অর্জিত যে কোন সম্পদ এবং অস্থাবর সম্পত্তি, মূল্যবান দলিল, সনদ এবং অন্য কোন সম্পদ বা মূল্যবান জামানত তাহাকে ফেরত প্রদান করিবার জন্য প্রতিপক্ষকে আদেশ দিতে পারিবে।
১৬। ক্ষতিপূরণ আদেশ।- (১) সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির শারীরিক, মানসিক, আর্থিক, স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষতি হইলে বা ক্ষতির সম্ভাবনা থাকিলে, ধারা ১১ এর অধীন আবেদনের সহিত অথবা পরবর্তীতে পৃথক দরখাস্তের মাধ্যমে আদালতের নিকট ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন করা যাইবে।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন আবেদন প্রাপ্তির ৬ (ছয়) মাসের মধ্যে আদালত উক্ত আবেদন নিষ্পত্তি করিবে।
(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রাপ্ত আবেদন নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে পক্ষসমূহকে শুনানীর সুযোগ প্রদান করিয়া, উপ-ধারা (৪) এর বিধান সাপেক্ষে, আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করিবে সেইরূপ আর্থিক ক্ষতিপূরণ সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিকে প্রদানের জন্য প্রতিপক্ষকে আদেশ দিতে পারিবে।
(৪) উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রাপ্ত আবদেন নিষ্পত্তির পূর্ব ক্ষতির প্রকৃত পরমিাণ নিরূপণের উদ্দশ্যে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে আদালত দায়িত্ব অর্পণ করিতে পারিবে এবং ক্ষতিপূরণের আবেদন শুনানীর সময় আদালত নিম্নবর্ণিত বিষয়সমূহ বিবেচনা করিবে, যথাঃ-
(ক) সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আঘাত, ভোগান্তি, শারীরিক ও মানসিক ক্ষতির প্রকৃতি ও পরিমান;
(খ) ক্ষতির জন্য চিকিৎসা খরচ;
(গ)  ক্ষতির স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদী প্রভাব;
(ঘ)  সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির যে পরিমান স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি স্থানান্তর, হস্তান্তর, ধ্বংস বা ক্ষতি করা হইয়াছে উহার পরিমান ও মূল্য;
(ঙ)  পারিবারিক সহিংসতার কারণে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি বা তাহার পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক ইতোমধ্যে ব্যয়িত অর্থের যুক্তিসংগত পরিমান।
(৫) আদালত সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি এবং তাহার সন্তানের ভরণ পোষণের জন্য, তিনি যেরূপ জীবনযাত্রায় অভ্যস্থ সেইরূপ জীবনযাত্রার জন্য পর্যাপ্ত ও যুক্তিযুক্ত অর্থ প্রদানের জন্য প্রতিপক্ষকে আদেশ দিতে পারিবে।
(৬) আদালত উপযুক্ত মনে করিলে এককালীন বা মাসিক পরশিোধযোগ্য ভরণপোষণের আদেশ দিতে পারিবে
(৭)  আদালত এই ধারার অধীন প্রদত্ত ক্ষতিপূরন আদেশের অনুলপি সংশ্লিষ্ট পক্ষসমূহ এবং সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করিবে,যাহার অধিক্ষেত্রের মধ্যে প্রতিপক্ষ সাধারণতঃ বসবাস করেন বা অবস্থান করেন।
(৮)  প্রতিপক্ষ সরকারি, বেসরকারি আধা-সরকারি বা স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে চাকুরিজীবী হইলে ক্ষতিপূরণ আদেশের একটি অনুলিপি প্রতিপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর প্রেরণ করিবে।
(৯) উপ-ধারা (৩) এর অধীন আদেশ অনুসারে প্রতিপক্ষ ক্ষতিপূরণ দিতে ব্যর্থ হইলে, আদালত প্রতিপক্ষের নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ বা যাহার অধীনে তিনি কর্মরত রহিয়াছেন তাহাকে উক্তরূপ ক্ষতিপূরণ সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি বরাবর পরিশোধে প্রতিপক্ষের মঞ্জুরী, বেতন বা অন্য কোন পাওনা হইতে নির্ধারিত অংশ সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিকে সরাসরি অথবা তাহার ব্যাংক এ্যাকাউন্টে জমা প্রদানের জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে।
(১)  এই ধারার অধীন প্রদত্ত ক্ষতপিূরণ আদশেরে অর্থ চঁনষরপ উবসধহফং জবপড়াবৎু অপঃ, ১৯১৩ (ইবহমধষ অপঃ ওওও ড়ভ ১৯১৩) এর বিধান অনুযায়ী আদায় করা যাইবে।
১৭। নিরাপদ হেফাজত আদেশ। আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, আদালত এই আইনের অধীন আবদেন বিবেচনার যে কোন পর্যায়ে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির সন্তানকে তাহার নিকট অথবা তাহার পক্ষে অন্য কোন আবেদনকারীর জিম্মায় অস্থায়ীভাবে সাময়িক নিরাপদ হেফাজতে রাখিবার আদেশ দিতে পারিবে এবং প্রয়োজনে, উক্ত আদেশ প্রতিপক্ষ কর্তৃক উক্ত সন্তানের সহিত সাক্ষাৎ করিবার বিষয়টি উল্লেখ করা যাইবে।
১৮। বিনা মূল্যে আদেশের অনুলিপি সরবরাহ।- এই আইনের অধীন প্রদত্ত সকল আদেশের অনুলিপি আদালত পক্ষগণ, সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, প্রয়োগকারী কর্মকর্তা এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, সেবা প্রদানকারীকে বিনা মূল্য সরবরাহ করিবে।
১৯। আদেশের মেয়াদ ও সংশোধন, ইত্যাদি।- (১) ধারা ১৪ এর অধীন প্রদত্ত সুরক্ষা আদেশ সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি কর্তৃক উহা প্রত্যাহারের আবদেন না করা এবং আদালত কর্তৃক গৃহীত না হওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকিবে।
(২) সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি বা প্রতিপক্ষ কর্তৃক দাখিলকৃত আবেদনের প্রেক্ষিতে পক্ষগণকে শুনানীর সুযোগ দিয়া আদালত যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এই আইন অনুসারে প্রদত্ত কোন আদেশ পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংশোধন বা বাতিল করা প্রয়োজন, তাহা হইলে আদালত উপযুক্ত বিবেচনায় লিখিত কারন উল্লেখপূর্বক আদেশ সংশোধন করিতে পারিবে।
পঞ্চম অধ্যায়
আবদেন নিষ্পত্তি, বিচার, আপীল, ইত্যাদি
২০। আবেদন নিষ্পত্তি।- (১) এই আইনের অধীন প্রতিটি আবেদন, ধারা ১৬ এর অধীন ক্ষতিপূরণ আদেশের আবেদন ব্যতীত, নোটিশ জারীর তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) কার্যদিবসের মধ্যে আদালত নিষ্পত্তি করিবে।
(২) কোন অনিবার্য কারণে উপ-ধারা (১) উল্লিখিত সময়ের মধ্যে কোন আবদেন নিষ্পত্তি করা সম্ভব না হইলে, আদালত কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া অতিরিক্ত ১৫ (পনের) কার্য দিবসের মধ্যে আবেদনটি নিষ্পত্তি করিবে এবং তদসম্পর্কে আপীল আদালতকে অবহিত করিবে।
(৩) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত বর্ধিত সময়ের মধ্যেও যদি যুক্তিসঙ্গত কারণে কোন আবেদন নিষ্পত্তি করা সম্ভব না হয়, তাহা হইলে আদালত কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া আবেদনটি নিষ্পত্তির জন্য জন্য আরো ৭ (সাত) কার্য দিবস সময় নিতে পারিবে এবং এইরূপ সময় বর্ধিতকরণ সম্পর্কে লিখিতভাবে আপীল আদালতকে অবহিত করিবে।
(৪) উপধারা (৩) এ উল্লিখিত বর্ধিত সময়ের মধ্যেও কোন আবেদন নিষ্পত্তি করা সম্ভব না হইলে, আদালত যথাশীঘ্র সম্ভব আবেদনটি নিষ্পত্তি করিবে এবং নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত প্রতি ৭ (সাত) দিন অন্তর অন্তর আবেদনটির নিষ্পত্তির প্রতিবেদন লিখিতভাবে আপীল আদালতকে অবহিত করিবে, তবে আপীল আদালত যে কোন পক্ষ কর্তৃক আবেদন অথবা স্বেচ্ছাপ্রনোদিতভাবে আবেদনটি এখতিয়ার সম্পন্ন অন্য কোন আদালতে স্থানান্তরিত করিতে পারিবে।
(৫) উপ-ধারা (৪) অধীন কোন আবেদন স্থানান্তর করা হইলে উহা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিষ্পত্তি করিতে হইবে এবং যে পর্যায়ে আবেদনটি স্থানান্তরিত হইয়াছে সে পর্যায় হইতে উহার কার্যক্রম পরিচালনা করা হইবে, যেন উক্ত আদালতে আবদেনটি ঐ পর্যায়ে নিষ্পন্নাধীন ছিল এবং ইহা কখনও স্থানান্তরিত হয় নাই।
২১। বিচার।- (১) ফৌজদারী কার্যবিধি বা আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইন যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন দাখিলকৃত আবেদন বা অপরাধের বিচার বা কার্যধারার নিষ্পত্তি জুডিশিয়াল ম্যাজস্ট্রেট বা ক্ষেত্রমত, মেট্রোপলিটন ম্যাজস্ট্রেট কর্তৃক বিচার্য হইবে।
(২)  ক্ষতপিূরণ আদশে প্রদানরে ক্ষত্রে েজুডশিয়িাল ম্যাজস্ট্রিটেরে কোন নর্দিষ্টি সীমা থাকবি েনা।
২২। বচিাররে কার্যপদ্ধত।ি- (১) এই আইনরে অধীন কোন আবদেন বা অপরাধরে বচিার বা কার্যধারা নষ্পিত্তরি ক্ষত্রে েফৌজদারী কার্যবধিরি বধিানাবলী প্রযোজ্য হইবে।
(২) এই আইনরে অধীন আবদেন অপরাধরে বচিার বা কার্যধারা নষ্পিত্তরি ক্ষত্রে েফৌজদারী কার্যবধিরি ঈযধঢ়ঃবৎ ঢঢওও অনুযায়ী সংক্ষপ্তি বচিার পদ্ধত প্িরযোজ্য হইবে।
২৩। নভিৃত কক্ষ েবচিার কার্যক্রম।- সংশ্লষ্টি পক্ষগণরে সম্মতরি ভত্তিতি েঅথবা আদালত স্বীয় ববিচেনায় উপযুক্ত মন েকরলি,ে এই আইনরে অধীন বচিার কার্যক্রম রুদ্ধদ্বার কক্ষ ে(ঃৎরধষ রহ পধসবৎধ) করতি েপারবিে।
২৪। সরজেমনি েতদন্ত।- কোন আবদেন বা কার্যধারা নষ্পিত্তরি ক্ষত্রে েআদালত পক্ষগণক েঅবহতি করয়িা ঘটনার সত্যতা নরিূপনরে নমিত্তি সরজেমনি েতদন্তরে আদশে দতি েপারবি েএবং উক্তরূপ তদন্ত কাজ আদালত কর্তৃক নর্ধিারতি সময় সীমার মধ্য েসম্পন্ন করতি েহইবে।
২৫। আদশে জারী।- (১) আদালত কর্তৃক প্রদত্ত য েকোন আদশে ফৌজদারী কার্যবধিতি উলে্লখেতি পদ্ধত িঅনুসরণ েসংশ্লষ্টি পক্ষগণরে নকিট জাররি ব্যবস্থা গ্রহণ করতি েহইবে।
(২) এই আইনরে অধীন প্রদত্ত য েকোন আদশে জারীকারক বা পুলশি বা প্রয়োগকারী কর্মকর্তার মাধ্যম েজার িকরা যাইবে।
তব েশর্ত থাক েয, গে্রফেতারী পরোয়ানা পুলশি কর্তৃক তামলি করতি েহইবে।
(৩) জারীকারক বা পুলশি বা প্রয়োগকারী কর্মকর্তা জারকিরণরে উদ্দশ্যে প্েরাপ্ত আদশেরে অনুলপি ি৩ (তনি) কার্যদবিসরে মধ্য েজারী করবিনে এবং জারী সংক্রান্ত প্রতবিদেন প্রত্যয়নসহ আদালত প্েররেণ করবিনে।
(৪) প্রয়োজন, উেক্তরূপ জারীর সহতি রজেস্টিার্ড ডাকযোগ েবা কুরয়িার সার্ভসিরে মাধ্যম েবা বধি দ্িবারা নর্ধিারতি পদ্ধততি েবা আদশে ক্ষত্রেমত, নোটশি জারী করা যাইব,ে এইরূপ একাধকি পদ্ধততি েজারীর ক্ষত্রে েখরচ আবদেনকারী বহন করবিনে।
২৬। প্রতপিক্ষরে অনুপস্থতিতি েবচিার।- (১) প্রতপিক্ষরে প্রত িউপস্থতিরি জন্য নোটশি জার িকরা হইলও পে্রতপিক্ষ যদ িআদালত উপস্থতি না হন বা একবার উপস্থতি হইয়া পরবর্তীত েআর উপস্থতি না হন, তাহা হইল েআদালত প্রতপিক্ষরে অনুপস্থতিতি েনষ্পিন্নাধীন আবদেন এক তরফাভাব েনষ্পিত্ত িকরতি েপারবিে।
(২) আদালত েউপস্থতিরি জন্য প্রতপিক্ষরে প্রত িনোটশি জারী করা হইল,ে তনি িনর্ধিারতি তারখি েআদালত েউপস্থতি না হইল েবা একবার উপস্থতি হইয়া পরবর্তীত েআর উপস্থতি না হইল েআদালত তাহার বরিুদ্ধ গ্েরফেতারী পরোয়ানা জারী করতি েপারবিে।
২৭। আবদেন খারজি।- আবদেনকারীর অনুপস্থতিরি কারণ েকোন আবদেন খারজি হইল েয েআদালত কর্তৃক আবদেনট িখারজি করা হইয়াছ েসইে আদালত আবদেনকারীর আবদেনরে ভত্তিতি েএবং যুক্তসিংগত বলয়িা ববিচেতি হইল েখারজিকৃত আবদেন য েপর্যায় েখারজি হইয়াছ েসইে পর্যায় হইত েআবদেন পুনরুজ্জীবতি করতি েপারবিেঃ
তব েশর্ত থাক েয েআবদেন খারজিরে ৩০ (ত্রশি) কার্যদবিসরে মধ্য উকে্তরূপ আবদেন করতি েহইব েএবং একবাররে অধকি আবদেন করা যাইব েনা।
২৮। আপীল।- (১) ফৌজদারী কার্যবধি িবা আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইন েযাহা কছিুই থাকুক না কনে, এই আইনরে উদ্দশ্যেপূরণকল্প েচীফ জুডশিয়িাল ম্যাজস্ট্রিটে বা ক্ষত্রেমত, চীফ মট্রেোপলটিন ম্যাজস্ট্রিটে আপীল আদালত হসিাব েগণ্য হইবে।
(২)  এই আইনরে অধীন প্রদত্ত আদশেরে বরিুদ্ধ েয েকোন সংক্ষুব্ধ পক্ষ আদশে প্রদানরে তারখি হইত ৩০ে (ত্রশি) কার্যদবিসরে মধ্য েচীফ জুডসিয়িাল ম্যাজস্ট্রিটে বা ক্ষত্রেমত, চীফ মট্রেোপলটিন ম্যাজস্ট্রিটে আদালত েআপীল করতি েপারবিে।
(৩) আপীল দায়রেরে ৬০ (ষাট) কার্যদবিসরে মধ্য েআপীল আবদেন নষ্পিত্ত িকরতি েহইব েএবং উপযুক্ত কারণ ব্যতীত আপীল একাধকিবার বদলী করা যাইব েনা।
ষষ্ঠ অধ্যায়
অপরাধ, শাস্ত, ইিত্যাদি
২৯। আমলযোগ্যতা, জামনিযোগ্যতা এবং আপোষযোগ্যতা।- এই আইনরে অধীন সংঘটতি কোন অপরাধ আমলযোগ্য, জামনিযোগ্য এবং আপোষযোগ্য হইবে।
৩০। সুরক্ষা আদশে লঙ্ঘনরে শাস্ত।- িপ্রতপিক্ষ কর্তৃক সুরক্ষা আদশে বা উহার কোন শর্ত লঙ্ঘন করলি েউহা অপরাধ হসিাব েগণ্য হইব েএবং তজ্জন্য তনি িঅনধকি ৬ (ছয়) মাস কারাদন্ড বা অনধকি ১০ (দশ) হাজার টাকা অর্থদন্ড বা উভয় দন্ড েদন্ডতি হইবনে এবং অপরাধ পুনরাবৃত্তরি ক্ষত্রে েতনি িঅনধকি ২ (দুই) বৎসর কারাদন্ড বা অনধকি ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদন্ড বা উভয় দন্ড েদন্ডতি হইবনে।
৩১। সমাজকল্যাণমূলক কাজ েসবো প্রদান।- (১) আদালতরে নকিট উপযুক্ত বলয়িা ববিচেতি হইল প্েরতপিক্ষক েধারা ৩০ এর অধীন শাস্ত প্িরদান না করয়িা নর্দিষ্টি সময়রে জন্য বভিন্নি ধরণরে সমাজকল্যাণমূলক কাজ েসবো প্রদানরে জন্য আদশে দতি েপারবি েএবং উক্তরূপ সবো প্রদানরে বষিয়ট িতত্ত্বাবধায়নরে জন্য য েকোন প্রতষ্ঠিান বা সংস্থাক েদায়ত্বি প্রদান করা যাইবে।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন সমাজকল্যাণমূল কাজরে সবো প্রদানরে জন্য প্রতপিক্ষ কর্তৃক উপার্জতি আয়রে মধ্য হইত েআদালত যরেূপ উপযুক্ত ববিচেনা করবি েসইেরূপ পরমিাণ অর্থ সংক্ষুব্ধ ব্যক্ত িএবং ক্ষত্রেমত, তাহার সন্তান বা তাহার উপর নর্ভিরশীল ব্যক্তকি প্েরদানরে আদশে দতি েপারবিে।
(৩) উপ-ধারা (১) এবং (২) এর উদ্দশ্যে পূরণকল্প েবধি প্িরণয়ন করা যাইবে।
৩২। মথ্যিা আবদেন করবিার শাস্ত।ি- যদ িকোন ব্যক্ত অনি্য কোন ব্যক্তরি ক্ষতসিাধনরে উদ্দশ্যে েএই আইনরে অধীন আবদেন করবিার আইনানুগ কারণ নাই জানয়িাও আবদেন করনে, তাহা হইল েতনি িঅনধকি ১ (এক) বৎসর কারাদন্ড অথবা অনধকি ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদন্ড অথবা উভয় দন্ড েদন্ডতি হইবনে।
সপ্ত অধ্যায়
ববিধি
৩৩। জনসবেক।- এই আইনরে অধীন কার্য সম্পাদনরে ক্ষত্রে প্েরয়োগকারী কর্মকর্তা চবহধষ ঈড়ফব, ১৮৬০ এর ংবপঃরড়হ ২১ এর জনসবেক (চঁনষরপ ংবৎাধহঃ) অভব্যিক্তটি িয অরে্থ ব্েযবহৃত হইয়াছ েসই অের্থ েজনসবেক বলয়িা গণ্য হইবে।
৩৪। প্রয়োগকারী কর্মকর্তার জবাবদহিতিা।- আদালত কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদশে যদ প্িরয়োগকারী কর্মকর্তা পালন করতি অসে্বীকার করনে, অবহলো করনে বা ব্যর্থ হন এবং তনি িউহার উপযুক্ত কারণ দর্শাইত েনা পারনে তাহা হইল েতাহার বরিুদ্ধ েবভিাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে ।
৩৫। এই আইনরে বধিানাবলীর অতরিক্তিতা।- এই আইনরে বধিানাবলী অন্যান্য আইনরে কোন বধিানরে ব্যত্যয় েনা হইয়া উহার অতরিক্তি হইবে।
৩৬। বধি প্িরণয়নরে ক্ষমতা।- এই আইনরে উদ্দশ্যে পূরণকল্প েসরকার, সরকার িগজেটে প্েরজ্ঞাপন দ্বারা, বধি প্িরণয়ন করতি েপারবিে।
৩৭। ইংরজেতি েঅনূদতি পাঠ প্রকাশ।- সরকার, সরকার িগজেটে প্েরজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনরে মূল বাংলা পাঠরে ইংরজেীত েঅনূদতি একট িনর্ভিরযোগ্য পাঠ (অঁঃযবহঃরপ ঊহমষরংয ঞবীঃ) প্রকাশ করবিে।
তব েশর্ত থাক েয,ে বাংলা পাঠ ও ইংরজেী পাঠরে মধ্য েবরিোধরে ক্ষত্রে েবাংলা পাঠ প্রাধান্য পাইবে।