অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টি ও স্বাস্থ্যবার্তা বিষয়ক উঠান বৈঠক, জানুয়ারী -ডিসেম্বর ২০১৫

একজন মা গভর্ধারণ থেকে শুরু করে শিশুর দুই বছর বয়স পর্যন্ত সময়কালকে ১,০০০ দিন হিসেবে এই কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। মা ও শিশু পুষ্টির অবস্থা’ উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবহারিক তথ্যসমহূ পরিবার ও সমাজে সবার কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে এই সচেতনতা বৃদ্ধির প্রচেষ্টা। অত্যাবশ্যকীয় পুিষ্ট ও স্বাস্থ্যবার্তার্  বিষয়ক সহায়ক প্রশিক্ষণে ইউনিয়নের যে সকল নারীনেত্রী অংশগ্রহণ করেন তাদের পরিচালনায় প্রতি ওয়ার্ডে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

সারাদেশে  দশটি অঞ্চলের ৯৮টি  ইউনিয়নে প্রতিটি ওয়াডের্র এক বা একাধিক করে সর্বমোট ৮৭৪টি উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। যার মাধ্যমে ৬৩৪৭ জন গর্ভবতী মা, ৭১৪৫ জন প্রসূতি মা ও অন্যান্য (স্বামী, শ্বশুর, শ্বাশুড়ি, ননদ, আপনজন ও প্রতিবেশী ) ২৮৭৪ জন  উপস্থিত ছিলেন।  সর্বমোট  উপস্থিত ছিলেন ১৬৫৮০ জন। তাছাড়া এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত হয়েছেন।

প্রশিক্ষণের প্রিন্টেড ফ্লিপচার্ট-এর সাতটি অধিবেশন দুই ভাগে ভাগ করে দুই দিনের সভায় সম্পূর্ণ করা হয়।

প্রশিক্ষণ ও উঠান বৈঠকের আলোচ্য সূচিসমূহ: ১.সূচনা পর্ব। ২. প্রাক যাচাই। ৩. প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য। ৪. মা ও শিশুর পুষ্টি উন্নয়নে নারীনেত্রীর ভূমিকা। ৫. অপুষ্টির চক্র। ৬. নারীর (গর্ভবতী) পুষ্টি। ৭. বুকের দুধ খাওয়ানোর উপকারিতা। ৮. শাল দুধসহ মায়ের দুধ দান। ৯. ০-৬ মাস শুধুমাত্র মায়ের দুধ পদ্রান। ১০. দুধ খাওয়ানোর সময় শিশুর সঠিক অবস্থান প্রদর্শন। ১১. আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান (নেগোসিয়েশন) এবং কেইস স্টাডি। ১২. শিশুর পরিপরূক(বাড়তি)খাবার। ১৩. অসুস্থ বা অপষ্টু শিশুর পুষ্টি ব্যবস্থাপনা। ১৪. পুষ্টিগুণ সম্পন্ন স্থানীয় পর্যায়ের খাবার চিহ্নিতকরণ। ১৫. প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি। ১৬. লাইভ কোচিং (অনুশীলনী উপস্থাপনা)। ১৭. পরিকল্পনা ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.