নারী নের্তৃত্ব বিকাশ কর্মসূচীর সংখ্যাতাত্ত্বিক সার-সংক্ষেপ প্রতিবেদন ; জুলাই-সেপ্টেম্বর, ২০১৭।

ইস্যুভিত্তিক মাসিক ফলো-আপ প্রশিক্ষণ; জুলাই- সেপ্টেম্বর, ২০১৭। ১৫৫ টি টার্গেট-এ ১৩৬টি বিষয় ভিত্তিক ধারাবাহিক প্রশিক্ষণ এবং সভা ফলোআপ স¤পূর্ণ হয়েছে , অংশগ্রহণকারী টার্গেট-৩৩৩০জন, অংশগ্রহণকারী উপস্থিতির সংখ্যা-১৮২২জন এবং উপস্থিতির শতকরা ৫৫%। জুলাই-সেপ্টেম্বর, ২০১৭। বিকশিত নারী নেটওয়ার্কের কমিটি গঠন/ পুন:গঠন; জুলাই- সেপ্টেম্বর, ২০১৭। ২৪টি ইউনিয়ন কমিটি পুন:গঠন গঠন করা হয়েছে , নারীনেত্রীর সংখ্যা- ৩৫১জন। ৬টি উপজেলা কমিটি গঠন করা হয়েছে তন্মধ্যে ৪টি নতুন উপজেলা কমিটি গঠন এবং ২টি পুন:গঠন করা হয়েছ, মোট নারীনেত্রীর সংখ্যা- ১১৯জন। ১টি জেলা কমিটি পুন:গঠন গঠন করা হয়েছে , নারীনেত্রীর সংখ্যা- ২৬জন। বিকশিত নারী নেটওয়ার্কের কমিটি সভা ; জুলাই- সেপ্টেম্বর, ২০১৭। গত জুলাই- সেপ্টেম্বর, ২০১৭-এর মধ্যে বিকশিত নারী নেটওয়ার্কের ১৭ টি ইউনিয়ন কমিটি পুন: গঠন করা হয়েছে। ২৮০জন নারীনেত্রী যুক্ত হয়েছেন। তাছাড়া ২৮টি ইউনিয়নে ২৮টি ইউনিয়ন কমিটি সভা হয়েছে এবং ৩টি জেলা কমিটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে যার উপস্থিতি নারীনেত্রীর ৪৩ জন । সর্বমোট ইউনিয়ন এবং জেলা কমিটি সভার উপস্থিত নারীনেত্রীর সংখ্যা ৩৪৭ জন । ইউনিয়ন ,উপজেলা এবং জেলা কমিটি গঠন, পু:নগঠন এবং ইউনিয়ন জেলা কমিটি সভা পরিচালিত হয়েছে বিকশিত নারী নেটওয়ার্কের কার্যক্রম পরিচালনা নীতিমালা অনুযায়ী ।
এক নজরে নারীনেত্রীদের অর্জন জুলাই-সেপ্টেম্বর, ২০১৭। বাল্যবিবাহ বন্ধ-৩৯, যৌতুক প্রতিরোধ-৩৪, নারী নির্যাতন প্রতিরোধ-২৯, বিবাহ নিবন্ধন-২৩, নিরাপদ প্রসব-৪৫, গর্ভবতী মায়ের টিকা-৫৯, গর্ভবতী মায়ের ওজন-৪১, স্বাস্থ্য সম্মত পায়খানা-৬২, টিউবওয়েল স্থাপন-১০, আর্সেনিক পরীক্ষা-১০, বৃক্ষ রোপন-৮১, শিশু টিকা- ৬৯২, জন্মনিবন্ধন-৫৮২, প্রাথমিক স্কুলে ভর্তি-৮৮, ঝড়ে পড়া শিশু স্কুলে ভর্তি-১৩৩, বয়স্ক শিক্ষা-৪৭১, সংগঠন-২০৭, গর্ভবতী মায়ের পুষ্টি-৩২, গর্ভবতী মায়ের স্বাস্থ্য পরীক্ষা-৯৪, দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ-৫৯, আয় বৃদ্ধিমূলক কর্মসূচী-৬৪৩, পুষ্টি-৩০। মোট ৪৩৩টি কর্মসূচিতে -১৯০২ জন নারী এবং ১১২৯জন পুরুষ স¤পৃত্ত হয়েছে। (তথ্যসূত্র: এমআইএস)

Advertisements

‘বিকশিত নারী নেটওয়ার্ক’ নারী নের্তৃত্ব বিকাশ কর্মসূচীর সংখ্যাতাত্ত্বিক সার-সংক্ষেপ প্রতিবেদন; জানুয়ারী-মার্চ, ২০১৭

ফাউন্ডেশন কোর্স পরবর্তী বিষয় ভিত্তিক ধারাবাহিক প্রশিক্ষণ এবং সভা ফলোআপ জানুয়ারী-মার্চ, ২০১৭: বিষয় ভিত্তিক ধারাবাহিক প্রশিক্ষণ এবং সভা ফলোআপ সম্পূর্ণ হয়েছে ১৪৫টি, অংশগ্রহণকারী টার্গেট-৩৩৯৩ জন, অংশগ্রহণকারী উপস্থিতির সংখ্যা-২০০৮ জন এবং উপস্থিতির শতকরা ৫৯%। জানুয়ারী-মার্চ, ২০১৭।

অঞ্চল ভিত্তিক ফাউন্ডেশন কোর্স পরবর্তী বিষয় ভিত্তিক ধারাবাহিক মাসিক ফলোআপ প্রশিক্ষণ এবং সভা: জেন্ডার বৈষম্য দুরীকরনের আর্থসামাজিক অবস্থা পরিবর্তনের জন্য নারীনেত্রীরা তাদের নিজ নিজ সমাজে উন্নয়নমূলক কাজ করে যাচ্ছেন। নিজ নিজ এলাকায় নারীনেত্রীরা অন্যান্য নারীদের সংগঠিত ও ক্ষমতায়িত করা, বাল্যবিবাহ, যৌতুক, নারী নির্যাতন প্রতিরোধে প্রচারণা এবং মাতৃস্বাস্থ্য উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ন অবদান রাখছে। দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-বাংলাদেশ’র কর্ম এলাকা ১০টি অঞ্চলে মোট ৩৩৯৩টি মাসিক ফলোআপ প্রশিক্ষণ এবং সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে জানুয়ারী-জুন, ২০১৭। সর্বমোট উপস্থিত অংশগ্রহণকারী নারীনেত্রীর সংখ্যা-২০০৮ জন এবং অংশগ্রহণকারী নারীনেত্রীদের টার্গেট সংখ্যা-৩৩৯৩ জন, যার শতকরা হার ৫৯%।

১। ঢাকা অঞ্চলে মাসিক ফলোআপ প্রশিক্ষণ এবং সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে-২টি, উপস্থিত নারীনেত্রীর টার্গেট-৩৭জন, উপস্থিত নারীনেত্রীর সংখ্যা-২৫জন ৬৮%
২। ময়মনসিংহ অঞ্চলে মাসিক ফলোআপ প্রশিক্ষণ এবং সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে-৩০টি, উপস্থিত নারীনেত্রীর টার্গেট-৮৫২জন, উপস্থিত নারীনেত্রীর সংখ্যা-৪৭৮জন ৫৬%
৩। খুলনা অঞ্চলে মাসিক ফলোআপ প্রশিক্ষণ এবং সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে-২৭টি, উপস্থিত নারীনেত্রীর টার্গেট-৫৫৬জন, উপস্থিত নারীনেত্রীর সংখ্যা-৩৫৭জন ৬৪%
৪। ঝিনাইদহ অঞ্চলে মাসিক ফলোআপ প্রশিক্ষণ এবং সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে-১০টি, উপস্থিত নারীনেত্রীর টার্গেট-২৭৬জন, উপস্থিত নারীনেত্রীর সংখ্যা-১৬৩জন, শতকরা ৫৯%
৫। বরিশাল অঞ্চলে মাসিক ফলোআপ প্রশিক্ষণ এবং সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে-৫টি, উপস্থিত নারীনেত্রীর টার্গেট-১৫০জন, উপস্থিত নারীনেত্রীর সংখ্যা-৯৫জন, শতকরা ৬৩%
৬। সিলেট অঞ্চলে মাসিক ফলোআপ প্রশিক্ষণ এবং সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে-৩৬টি, উপস্থিত নারীনেত্রীর টার্গেট-৬৩২জন, উপস্থিত নারীনেত্রীর সংখ্যা-৩৭৮জন, শতকরা ৬০%
৭। রংপুর অঞ্চলে মাসিক ফলোআপ প্রশিক্ষণ এবং সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে-৭টি, উপস্থিত নারীনেত্রীর টার্গেট-১৬০জন, উপস্থিত নারীনেত্রীর সংখ্যা-৮৭জন, শতকরা ৫৪%
৮। রাজশাহী অঞ্চলে মাসিক ফলোআপ প্রশিক্ষণ এবং সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে-২২টি, উপস্থিত নারীনেত্রীর টার্গেট-৫৯২জন, উপস্থিত নারীনেত্রীর সংখ্যা-৩৪২জন, শতকরা ৫৮%
৯। কুমিল্লা অঞ্চলে মাসিক ফলোআপ প্রশিক্ষণ এবং সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে-৪টি, উপস্থিত নারীনেত্রীর টার্গেট-৭২জন, উপস্থিত নারীনেত্রীর সংখ্যা-৪৫জন, শতকরা ৬৩%
১০। চট্রগ্রাম অঞ্চলে মাসিক ফলোআপ প্রশিক্ষণ এবং সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে-২টি, উপস্থিত নারীনেত্রীর টার্গেট-৬৬জন, উপস্থিত নারীনেত্রীর সংখ্যা-৩৮জন, শতকরা ৫৮ %

বিকশিত নারী নেটওয়ার্কের কমিটি সভা এবং গঠন/ পুন:গঠন; জানুয়ারী-মার্চ, ২০১৭। গত জানুয়ারী-মার্চ, ২০১৭-এর মধ্যে বিকশিত নারী নেটওয়ার্কের ৩ টি ইউনিয়ন কমিটি পুন: গঠন করা হয়েছে। ২১জন নারীনেত্রী যুক্ত হয়েছেন। তাছাড়া ৪১টি ইউনিয়নে ৪১টি ইউনিয়ন কমিটি সভা হয়েছে উপস্থিত নারীনেত্রীর সংখ্যা ৪৭২জন । ইউনিয়ন কমিটি পু:নগঠন এবং ইউনিয়ন কমিটি সভা পরিচালিত হয়েছে বিকশিত নারী নেটওয়ার্কের কার্যক্রম পরিচালনা নীতিমালা অনুযায়ী ।

‘সম-অধিকার নিশ্চিত করি, নারীবান্ধব বিশ্ব গড়ি’-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০১৭ পালন করা হয়। জাতিসংঘ থেকে নির্ধারিত প্রতিপাদ্য হলো-‘Women in the Changing World of Work: Planet 50-50 by 2030’। মূলত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন তথা ২০৩০ সালের মধ্যে কর্মে ও মর্যাদায় সকল স্তরে নারী-পুরুষের সমতার পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেই জাতিসংঘ উক্ত প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করে। সারা দেশে ৭৮টি স্থানে দিবসটি উদযাপিত হয়েছে। উপস্থিত নারী ১১১৯৬জন এবং পুরুষ ৮১৮৪জন।

এক নজরে নারীনেত্রীদের অর্জন জানুয়ারী-মার্চ, ২০১৭: সারা দেশব্যাপী নারীনেত্রীরা নিজ নিজ এলাকায় স্ব উদ্যোগে স্থানীয় পযার্য়ে বিভিন্ন কর্মসূচির বাস্তবায়নের মাধ্যমে অর্জন তুলে ধরা হয়েছে; জানুয়ারী-মার্চ, ২০১৭। কর্মসূচী গুলো হলো; বাল্যবিবাহ বন্ধ-৩৭ , যৌতুক প্রতিরোধ-২৬ নারী নির্যাতন প্রতিরোধ-১৭, বিবাহ নিবন্ধন-১৩, নিরাপদ প্রসব-৩০,গর্ভবতী মায়ের টিকা-৩২৬ গর্ভবতী মা ও নবজাক শিশুর ওজন-১৭০, স্বাস্থ্য সম্মত পায়খানা-৩৪ টিউবওয়েল স্থাপন-০৪ আর্সেনিক পরীক্ষা-০৫, বৃক্ষ রোপন-১৯১২, শিশু টিকা-নারী-৮১০, পুরুষ-৬২৮,জন্মনিবন্ধন-নারী ৩৪৮, পুরুষ-৩০২, প্রাথমিক স্কুলে ভর্তি -নারী ৬৬৩, পুরুষ-৫২৬ ঝড়ে পড়া শিশু স্কুলে ভর্তি- নারী ১২৬, পুরুষ-৯৪ বয়স্ক শিক্ষা -নারী ৩৩, পুরুষ-৬, সংগঠন-নারী-১৩০, পুরুষ-১৭ গর্ভবতী মায়ের পুষ্টি-৫৪১, গর্ভবতী মায়ের স্বাস্থ্য পরীক্ষা-১২৯, দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ- নারী-১০৯, পুরুষ-২০, আয় বৃদ্ধিমূলক কর্মসূচী-নারী-৬৭৮, পুরুষ-৫৫৭। (তথ্যসূত্র: এমআইএস)

নেটওয়ার্ক কার্যক্রমের কিছু ফটোগ্রাফী:

‘বিকশিত নারী নেটওয়ার্ক’ মাসিক ফলোআপ প্রশিক্ষণ ও সভার সংখ্যাতাত্ত্বিক সার-সংক্ষেপ প্রতিবেদন; জানুয়ারী-ডিসেম্বর ২০১৫

নারীর ক্ষমতায়ন ইউনিট দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-বিকশিত নারী নেটওয়ার্কের ৭৭৭ টি বিষয় ভিত্তিক ধারাবাহিক ফলোআপ প্রশিক্ষণ এবং সভা সমপূর্ণ হয়েছে, অংশগ্রহণকারী টার্গেট-১৮২৩৩ জন, অংশগ্রহণকারী উপসি’ তির সংখ্যা-১২৭০৯ জন এবং উপসি’ তির শতকরা ৬৯%। জানুয়ারী-ডিসেম্বর, ২০১৫। অঞ্চল ভিত্তিক ফাউন্ডেশন কোর্স পরবর্তী বিষয় ভিত্তিক ধারাবাহিক মাসিক ফলোআপ প্রশিক্ষণ এবং সভা : জানুয়ারী-ডিসেম্বর ২০১৫, সারাদেশে  ১০টি অঞ্চলের মোট  ৭৭৭টি মাসিক ফলোআপ প্রশিক্ষণ এবং সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সর্বমোট উপস্থিত অংশগ্রহণকারী  নারীনেত্রীর সংখ্যা ১২৭০৯ জন । অংশগ্রহণকারী  নারীনেত্রীদের টার্গেট সংখ্যা- ১৮২৩৩ জন, শতকরা হার ৬৯%। জানুয়ারী-জুন ২০১৫।

কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি সভার প্রতিবেদন

গত ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ তারিখে বিকশিত নারী নেটওয়ার্ক কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি সভা দি হাঙ্গার প্রজেক্টে, ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সভার বিষয়সূচি বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
• স্বাগত বক্তব্য
• শুভেচ্ছা বিনিময়
• সাংগঠনিক প্রতিবেদন উপস্থাপন
• অভিজ্ঞতা বিনিময়
• কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষ্যে গৃহীত কার্যক্রম সম্পর্কে আলোচনা

স্বাগত বক্তব্য: জনাব রাশেদা আখতার সভাপতি বিকশিত নারী নেটওয়ার্ক, উপস্থিত সবাইকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন। সভার শুরুতে এই আয়োজনের জন্য হাঙ্গার প্রজেক্টের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, অনেক দিন পর সকলে একত্রিত হয়েছি, তবে আমাদের মধ্যে দুরত্ব থাকলেও হাঙ্গার প্রজেক্টের বিভিন্ন কাজের সাথে যুক্ত থাকায় আমাদের সকলের কাজের ক্ষেত্র একই। আমাদের মধ্যে স্যার (ড.বদিউল আলম মজুমদার) উপস্থিত আছেন, তিনি আমাদের সর্বদা আশান্বিত এবং কাজে অনুপ্রানিত ও উৎসাহীত করেন, ফলে আমরা কাজের অনুপ্রেরণা পাই। Continue reading “কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি সভার প্রতিবেদন”

নারী নেতৃত্ব বিকাশ বিষয়ক ২০৪তম ফাউন্ডেশন কোর্স

foundation_course_23_24_2015রাজশাহী অঞ্চলের গত ২২-২৪ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে বিকশিত নারী নেটওয়ার্কের  নারী নেতৃত্ব বিকাশ বিষয়ক ২০৪তম ফাউন্ডেশন কোর্স অনুষ্ঠিত হয় । প্রশিক্ষণের স্থান: ঠেঁঙ্গামারা মহিলা সবুজ সংঘ প্রশিক্ষন কেন্দ্র (টিএমএসএস),পারুলিয়া, জয়পুরহাট। Continue reading “নারী নেতৃত্ব বিকাশ বিষয়ক ২০৪তম ফাউন্ডেশন কোর্স”

পঞ্চম জাতীয় সম্মেলন

১৩ নভেম্বর, ২০১৪, ইনস্টিটিউট অফ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ
আমাদের অঙ্গীকার
আমরা, সহস্রাধিক নারী সংগঠক, যারা বিকশিত নারী নেটওয়ার্ক-এর সদস্য, দেশের বিভিন্ন প্রান- থেকে আজ ১৩ নভেম্বর, ২০১৪ ঢাকায় সমবেত হয়েছি। আমরা ইতোমধ্যে নিজ এলাকায় আমাদের, বিশেষ করে নারীদের জীবনমানের উনয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। আমরা এখানে একত্রিত হয়েছি এ সফলতাগুলো উদ্‌যাপন, আমাদের সংগ্রামের অভিজ্ঞতাগুলো বিনিময় এবং একইসঙ্গে ভবিষ্যত কর্মকৌশল নির্ধারণ করতে।
আমরা জানি যে, প্রসূতি মা ও নবজাতক শিশুর মৃত্যুহার কমানো, টিকাদানসহ শিশুদের উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ, উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে নারীর অংশগ্রহণ এবং তাদের সার্বিক জীবনমানের উন্নয়নে বাংলাদেশের অগ্রগতি যথেষ্ট ইতিবাচক। কিন’ একইসঙ্গে আমরা উদ্বেগের সাথে লক্ষ করছি যে, সারা দেশে নারী ও কন্যাশিশুদের প্রতি সহিংসতা ব্যাপক হারে বেড়েই চলেছে। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ-এর তথ্যমতে, চলতি বছরের (২০১৪) জানয়ারি থেকে জুন মাস পর্যন- গত ছ’মাসে দেশে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ৪৩১টি এবং ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে ৪৫ জনকে। ইউনিসেফ-এর সামপ্রতিক দুটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ায় বাল্যবিবাহ ও কিশোরী নির্যাতনের দিক থেকে শীর্ষে বাংলাদেশ। দেশে এখনও ৬৬ শতাংশ বিয়েতেই কনের বয়স থাকে ১৮ বছরের নীচে। এছাড়াও বাংলাদেশের বিপুল সংখ্যক নারী ও কন্যাশিশু ক্ষুধা, অপুষ্টি ও পাচারের শিকার। সমাজের বিভিন্ন স-রে সিদ্ধান- গ্রহণ, সুযোগ ও মৌলিক সেবা গ্রহণে নারীদের অভিগম্যতা ও সম-অংশগ্রহণের সুযোগ অত্যন- সীমিত। এই সম্মেলন থেকে আমরা ঘোষণা করছি যে,এ সকল অন্যায্য ও অমানবিক অবস্থা অবসানের লক্ষ্যে এবং নারী তথা সকল নাগরিকের জন্য সমৃদ্ধ ও আত্নমর্যাদাপূর্ণ ভবিষ্যত গঠনে বদ্ধ পরিকর।
Continue reading “পঞ্চম জাতীয় সম্মেলন”

চতুর্থ জাতীয় সম্মেলন

এল,জি,ই,ডি মিলনায়তন, ঢাকা, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১২
আমাদের অঙ্গীকার
বিকশিত নারী নেটওয়ার্কের চতুর্থ জাতীয় কনভেনশন থেকে আমরা, তৃণমূলের একদল নারী সংগঠক নারী-পুরুষের সমতা ভিত্তিক ক্ষুধামুক্ত, আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় পুন:ব্যক্ত করছি। আমরা এমন একটি টেকসই ভবিষ্যৎ বিনির্মাণ করতে চাই, যেখানে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে আত্মনির্ভরশীল ও আত্মমর্যাদাপূর্ণ জীবন গঠনের সুযোগ সৃষ্টি পাবে। নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের থাকবে স্বচ্ছল ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন গঠনের অধিকার। সমাজের প্রতিটি স্তরের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় থাকবে নারীর অন্তর্ভূক্তি ও সমঅংশগ্রহণ। সকলের জীবন হবে নিরাপদ। এই প্রত্যাশাকে ধারণ করে, তৃণমুলে নারী নেতৃত্ব বিকাশের মাধ্যমে আমরা যে গণজাগরণ সৃষ্টির উদ্যোগ নিয়েছি তা বেগবান করার লক্ষ্যে এই কনভেনশন থেকে আমরা কতকগুলো কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রত্যয় ব্যক্ত করছি।
Continue reading “চতুর্থ জাতীয় সম্মেলন”

তৃতীয় জাতীয় কনভেনশন

এল,জি,ই,ডি মিলনায়তন, ঢাকা, ১৪ মে, ২০১০
আমাদের অঙ্গীকার।
বিকশিত নারী নেটওয়ার্কের তৃতীয় জাতীয় কনভেনশন থেকে আমরা তৃণমূলের একদল নারী সংগঠক নারী-পুরুষের সমতা ভিত্তিক ক্ষুধামুক্ত, আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় পুন:ব্যক্ত করছি। আমরা এমন একটি টেকসই ভবিষ্যৎ বিনির্মাণ করতে চাই, যেখানে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে প্রত্যেকে আত্মনির্ভরশীল ও আত্মমর্যাদাপূর্ণ জীবন অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি হবে। নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের থাকবে মালিকানাবোধ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন অর্জনের অধিকার। প্রতিটি স্তরের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় থাকবে নারীর অন্তর্ভূক্তি ও সমঅংশগ্রহণ। সকলের জীবন হবে নিরাপদ। এই প্রত্যাশাকে ধারন করে, তৃণমুলের নারী নেতৃত্ব বিকাশের মাধ্যমে আমরা যে গণজাগরণ সৃষ্টির উদ্যোগ নিয়েছি তা বেগবান করার লক্ষ্যে এই কনভেনশন থেকে আমরা কতকগুলো কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছি।
আমরা বিশ্বাস করি যে, আমাদের, বিশেষতঃ নারীদের সচেতন, সক্রিয় ও সংগঠিত করে তাদের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা ও সৃজনশীল প্রতিভার বিকাশ ঘটিয়ে আমাদের প্রত্যাশিত আত্মনির্ভরশীল ভবিষ্যৎ অর্জন করা সম্ভব। আর এ উপলব্ধি থেকে আমরা স্বেচ্ছাব্রতী হয়ে সারা দেশে অগ্রাধিকারভিত্তিতে নিম্নোক্ত কার্যক্রম বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করছি। Continue reading “তৃতীয় জাতীয় কনভেনশন”

দ্বিতীয় জাতীয় কনভেনশন

আমাদের অঙ্গীকার। সাভার, ১৮ এপ্রিল, ২০০৮
আমরা, তৃণমূলের একদল নারী সংগঠক দ্বিতীয় জাতীয় কনভেনশন উপলক্ষে ১৮ এপ্রিল, ২০০৮-এ ঢাকায় সমবেত হয়ে ক্ষুধামুক্ত আত্মনির্ভরশীল দেশ গড়ার লক্ষ্যে ২০০৭ সালের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে প্রত্যাশার আলোকে বিভিন্ন কর্মসূচি নির্ধারণ করেছি। আমাদের কাজের উদ্দেশ্য হলো ক্ষুধা অবসানের লক্ষ্যে চলমান গণজাগরণকে ত্বরান্বিত করা। আমাদের প্রত্যাশা, দেশের জন্য একটি নতুন ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা-যেখানে আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনে নারী-পুরুষের যৌথ নেতৃত্ব ও সমতা প্রতিষ্ঠিত হবে এবং এ লক্ষ্য অর্জনে তৃণমূল নারীদের নেতৃত্ব দেবার সুযোগ সৃষ্টি হবে।
আমরা উপলব্ধি করতে পেরেছি যে-আমাদের, বিশেষ করে নারীদের সুপ্ত সৃজনশীল শক্তিকে কাজে লাগিয়ে এবং তাদেরকে সংগঠিত করে আমাদের প্রত্যাশিত ভবিষ্যৎ অর্জন করা সম্ভব। আর এ উপলব্ধির ভিত্তিতে আমরা নারীদের জন্য সম্মানজনক, সমতাভিত্তিক এবং ন্যায্য অবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে  সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে স্বপ্রনোদিত হয়ে দ্বিতীয় কনভেনশন থেকে নিম্নোক্ত কার্যক্রম বাস্তবায়ন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি। Continue reading “দ্বিতীয় জাতীয় কনভেনশন”

প্রথম জাতীয় সম্মেলন

আমাদের অঙ্গীকার । ঢাকা, ৬ এপ্রিল, ২০০৭
আমরা, নারী নেত্রীরা প্রথম জাতীয় কনভেনশন উপলক্ষে ৬ এপ্রিল ২০০৭-এ ঢাকায় সমবেত হয়ে ক্ষুধামুক্ত আত্মনির্ভরশীল দেশ গড়ার লক্ষ্যে আগামী ২০০৭ সালের জন্য আমাদের প্রত্যাশার ভিত্তিতে বিভিন্ন কর্মসূচি নির্ধারণ করেছি। এর উদ্দেশ্য হলো ক্ষুধা অবসানের লক্ষ্যে চলমান গণজাগরনকে তরান্বিত করা। আমাদের প্রত্যাশা – দেশের জন্যে একটি নতুন ভবিষ্যত গড়ে তোলা, যেখানে নারী-পুরষের সমতা নিশ্চিত হবে এবং এ লক্ষ্য অর্জনে তৃণমূল নারীদের নেতৃত্ব দেবার সুযোগ সৃষ্টি হবে।
আমরা উপলব্ধি করতে পেরেছি যে-আমাদের, বিশেষ করে নারীদের সুপ্ত সৃজনশীল শক্তিকে কাজে লাগিয়ে এবং তাদেরকে সেই লক্ষ্যে সংগঠিত করে আমাদের প্রত্যাশিত ভবিষ্যত অর্জন করা সম্ভব। আর এ উপলব্ধির ভিত্তিতে আমরা এই মুহূর্তেই একাধিক কার্যক্রম গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি। Continue reading “প্রথম জাতীয় সম্মেলন”