‘বিকশিত নারী নেটওর্য়াক’ এর নারী নেতৃত্ব বিকাশ কর্মসূচীর সংখ্যাতাত্ত্বিক সার-সংক্ষেপ প্রতিবেদন; জানুয়ারী-ডিসেম্বর- ২০১৮।

অঞ্চল ভিত্তিক ‘নারী নেতৃত্ব বিকাশ র্শীষক ফাউন্ডেশন কোর্স’: দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-বাংলাদেশ এর বিকশিত নারী নেটওয়ার্কে আয়োজনে এবং দি হাঙ্গার প্রজেক্ট এর সহায়তায় ২০১৮ সালে ২ টি নারী নেতৃত্ব বিকাশ বিষয়ক ফাউন্ডেশন কোর্স অনুষ্ঠিত হয়েছে। বরিশাল অঞ্চলে বাবুগঞ্জ উপজেলার কেদারপুর, জাহাঙ্গীরনগর ২টি ইউনিয়ন থেকে ১৮জন করে ৩৬জন ২০৮তম ব্যাচে এবং ঢাকা অঞ্চলের মানিকগঞ্জ ঘিওর উপজেলার বালিয়াখোড়া, বালিয়াকান্দি ২টি ইউনিয়ন থেকে ১৮জন করে ৩৬জন ২০৯তম ব্যাচে নারী নেতৃত্ব বিকাশ বিষয়ক ফাউন্ডেশন সর্বমোট ৭২ জন বলিষ্ঠ নারী বিকশিত নারী নেটওয়ার্কে নতুন যুক্ত হয়েছেন।

অঞ্চল ভিত্তিক ধারাবাহিক মাসিক ফলোআপ প্রশিক্ষণ এবং সভা জানুয়ারী-ডিসেম্বর, ২০১৮: দি হাঙ্গার প্রজেক্ট এর ১০টি অঞ্চলে ইস্যুভিত্তিক মাসিক ফলো-আপ প্রশিক্ষণ; জানুয়ারী-ডিসেম্বর, ২০১৮ সর্বমোট ৩৪২টি ধারাবাহিক মাসিক ফলোআপ প্রশিক্ষণ এবং সভা সম্পূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ধারাবাহিক মাসিক ফলোআপ প্রশিক্ষণ এবং সভা অংশগ্রহণকারী টার্গেট-৮৮৩৭জন এবং অংশগ্রহণকারী উপস্থিতির সংখ্যা-৪৭০৩জন । তারমধ্যে ১০টি অঞ্চলের যেমন,বরিশাল-২৮টি, অংশগ্রহণকারী টার্গেট-৮৩১জন এবং অংশগ্রহণকারী উপস্থিতির সংখ্যা-৫১৬জন। কুমিল্লা-১৫টি, অংশগ্রহণকারী টার্গেট-২৭০জন এবং অংশগ্রহণকারী উপস্থিতির সংখ্যা-১৭৭জন। চট্রগ্রাম-০৮টি, অংশগ্রহণকারী টার্গেট-২৮৩জন এবং অংশগ্রহণকারী উপস্থিতির সংখ্যা-১৪২জন। ঢাকা-০৪টি, অংশগ্রহণকারী টার্গেট-৭৪জন এবং অংশগ্রহণকারী উপস্থিতির সংখ্যা-৫৫জন। ঝিনাইদহ-৩৬টি, অংশগ্রহণকারী টার্গেট-১২১৫জন এবং অংশগ্রহণকারী উপস্থিতির সংখ্যা-৬৩৪জন। খুলনা-৭৪টি, অংশগ্রহণকারী টার্গেট-১৫৬৯জন এবং অংশগ্রহণকারী উপস্থিতির সংখ্যা-৮৮৩জন। ময়মনসিংহ-৬৮টি, অংশগ্রহণকারী টার্গেট-২১১১জন এবং অংশগ্রহণকারী উপস্থিতির সংখ্যা-৯৬১জন। রাজশাহী-৪৯টি, অংশগ্রহণকারী টার্গেট-১৩৪৩জন এবং অংশগ্রহণকারী উপস্থিতির সংখ্যা-৬৭২জন। রংপুর-২০টি, অংশগ্রহণকারী টার্গেট-৪৩১জন এবং অংশগ্রহণকারী উপস্থিতির সংখ্যা-২৩৪জন। সিলেট-৪০টি, অংশগ্রহণকারী টার্গেট-৭১০জন এবং অংশগ্রহণকারী উপস্থিতির সংখ্যা-৪২৯জন।

অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টি ও স্বাস্থ্যবার্তা বিষয়ক উঠান বৈঠক জানুয়ারী-ডিসেম্বর ২০১৮: দি হাঙ্গার প্রজেক্ট- বাংলাদেশ কর্ম এলাকায় বিকশিত নারী নেটওয়ার্কের আয়োজনে ৬টি অঞ্চলে জানুয়ারী-ডিসেম্বর ২০১৮ সর্বমোট ৭২টি ইউনিয়নে ১৬৮টি অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টি ও স্বাস্থ্যবার্তা বিষয়ক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে গর্ভবতী মা , প্রসূতিমা এবং অন্যান্যদের সহ উপস্থিত সংখ্যা ২ হাজার ৯৭৩ জন। তার মধ্যে কুমিল্লা ৬টি ইউনিয়নে ১৮টি উঠান বৈঠক এবং উপস্থিত সংখ্যা-৩৪২জন। ঢাকা ৪টি ইউনিয়নে ৯টি উঠান বৈঠক এবং উপস্থিত সংখ্যা-১৩৫জন। ঝিনাইদহ ১৪টি ইউনিয়নে ৫৫টি উঠান বৈঠক এবং উপস্থিত সংখ্যা-৮৫০জন। খুলনা ১৬টি ইউনিয়নে ৩২টি উঠান বৈঠক এবং উপস্থিত সংখ্যা-৮১৮জন। রাজশাহী ১২টি ইউনিয়নে ৩০টি উঠান বৈঠক এবং উপস্থিত সংখ্যা-৫২৬জন। সিলেটে ২০টি ইউনিয়নে ২০টি উঠান বৈঠক, উপস্থিত সংখ্যা-৩০২জন উপস্থিত ছিলেন।

বিকশিত নারী নেটওর্য়াকের কমিটি সভা; জানুয়ারী-ডিসেম্বর ২০১৮; দি হাঙ্গার প্রজেক্ট- বাংলাদেশ কর্ম এলাকায় ৪টি অঞ্চলে বিকশিত নারী নেটওর্য়াকের কমিটি সভা; জানুয়ারী-ডিসেম্বর ২০১৮ সর্বমোট ৪১টি বিকশিত নারী নেটওয়ার্কের কমিটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে, সভার অংশগ্রহনকারী উপস্থিত টার্গেট সংখ্যা ৫৯৫ এবং অংশগ্রহনকারী উপস্থিত সংখ্যা ৫৩৬ জন। এতে কুমিল্লা-১৫টি, অংশগ্রহণকারী টার্গেট-২৪০জন এবং অংশগ্রহণকারী উপস্থিত নারীনেত্রীর সংখ্যা-২২১জন। খুলনা-৬টি, অংশগ্রহণকারী টার্গেট-৬৮জন এবং অংশগ্রহণকারী উপস্থিত নারীনেত্রীর সংখ্যা -৬জন। ময়মনসিংহ-১৫টি, অংশগ্রহণকারী টার্গেট-২৩০জন এবং অংশগ্রহণকারী উপস্থিত নারীনেত্রীর সংখ্যা -২২২জন। সিলেট-৫টি, অংশগ্রহণকারী টার্গেট-৫৭জন এবং অংশগ্রহণকারী উপস্থিত নারীনেত্রীর সংখ্যা -৩৩জন উপস্থিত ছিলেন।

আর্ন্তজাতিক নারী দিবস: “বদলে দেবার সময় এখন, গ্রাম শহরের নারীর জীবন” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আর্ন্তজাতিক নারী দিবস-২০১৮ উদযাপন করা হয়। জাতিসংঘ থেকে নির্ধারিত প্রতিপাদ্য হলো- UN Women Theme for International Women’s Day, 8 March, is “Time is Now: Rural and urban activists transforming women’s lives”.| মূলত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন তথা ২০৩০ সালের মধ্যে র্কমে ও মর্যাদায় সকল স্তরে নারী-পুরুষের সমতার পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্বরোপ করেই জাতিসংঘ উক্ত প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করে। সারা দেশে ১১১টি স্থানে দিবসটি উদযাপিত হয়েছে। উপস্থিত নারীর সংখ্যা ১১৬০৫জন এবং পুরুষের সংখ্যা ৬৫১৭জন। (তথ্যসূত্র-এমআইএস)

জাতীয় কন্যাশিশু দিবস: প্রতিবছরের ন্যায় দিবসটি উদ্‌যাপন উপলক্ষে কন্যাশিশুর অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রতিবছর ৩০ সেপ্টেম্বর পালিত হয় ‘জাতীয় কন্যাশিশু দিবস’। ২০১৮ সালে’থাকলে কন্যা সুরক্ষিত দেশ হবে আলোকিত’-এই স্লোগানকে সামনে রেখে দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-বাংলাদেশের কর্ম এলাকায় ৩৭৬টি স্থানে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালন করা হয়। সারাদেশে বিভিন্ন কর্মসুচীর মাধ্যমে প্রায় ৭৪ হাজার শিশু, কিশোর-কিশোরী, নারী-পুরুষ, বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্র-ছাত্রী, সমাজসেবক, অভিভাবক, চিকিৎসক সবোর্পরি দেশের বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার মানুষসহ স্থানীয় সরকারী-বেসরকারী প্রতিনিধিগণ উক্ত কর্মসূচিতে অংশগ্রহন করেন। (তথ্যসূত্র-এমআইএস)

উপজেলা পরিষদের সংরক্ষিত আসন নির্বাচনে অংশগ্রহন নারীনেত্রীদের ফলাফলের চিত্র: (২৯শে জানুয়ারী, ২০১৮): সারাদেশে বিকশিত নারী নেটওয়ার্কের নারীনেত্রীদের মধ্যে উপজেলা পরিষদের সংরক্ষিত আসন নির্বাচনে অংশগ্রহন করেন প্রায় ৫০ জন। তার মধ্যে ২৬ জন নারীনেত্রী উপজেলা পরিষদের সংরক্ষিত আসন নির্বাচনে বিজয়লাভ করেন।

‘জয়িতা’ পুরস্কারপ্রাপ্ত নারীনেত্রী: দি হাঙ্গার প্রজেক্ট- বাংলাদেশ কর্ম এলাকার ১০টি অঞ্চলের বিকশিত নারী নেটওয়ার্কের নারীনেত্রীদের মধ্যে ১০জন নারীনেত্রী ‘জয়িতা’ পুরস্কার-২০১৮ ভূষিত হন। এ পুরস্কার সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজে অবদান রাখার স্বীকৃতস্বরূপ ‘জয়িতা পুরস্কার লাভ করেন। ‘জয়িতা’ পুরস্কারপ্রাপ্ত নারীনেত্রী অঞ্চল ভিত্তিক চিত্র;ঝিনাইদহ-০১জন, খুলনা-০১জন, রাজশাহী-০৪জন, ময়মনসিংহ-০১জন, রংপুর-০১জন, চট্রগ্রাম-০১জন ও বরিশাল-০১জন (ঢাকা, কুমিল্লা এবং সিলেট অঞ্চলে নেই)।

এক নজরে নারীনেত্রীদের অর্জন জানুয়ারী-ডিসেম্বর ২০১৮: বাল্যবিবাহ বন্ধ-২২৬, যৌতুক প্রতিরোধ-১৭০, নারী নির্যাতন প্রতিরোধ-১৬০, বিবাহ নিবন্ধন-৯২, নিরাপদ প্রসব-৫১০, গর্ভবতী মায়ের টিকা-২৩৮৪, গর্ভবতী মা ওজন-১৫৮৯, নবজাতক শিশুর ওজন-১৩৯,স্বাস্থ্য সম্মত পায়খানা-৬০২, টিউবওয়েল স্থাপন-৩১৩, আর্সেনিক পরীক্ষা-৭৫৮, বৃক্ষরোপন-১১১৩১, শিশুর টিকা-৫৩৪৭, জন্মনিবন্ধন-৪২১২, প্রাথমিক স্কুলে ভর্তি-২৩২১ ঝড়ে পড়া শিশু স্কুলে ভর্তি-১১১১, বয়স্ক শিক্ষা-৬৮৪জন, গর্ভবতী মায়ের পুষ্টি-২৪৩৩, গর্ভবতী মায়ের স্বাস্থ্য পরীক্ষা-১৬৩৯, দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ-২৩টি, সংগঠন-৩৯৮জন, আয়বৃদ্ধমূলক কর্মসূচী-১৮৭৩জন -(তথ্যসূত্র: এমআইএস)

প্রতিবেদনকারী
শাহীনা আক্তার
বিকশিত নারী নেটওয়ার্ক
নারীর ক্ষমতায়ন ইউনিট

নারী নের্তৃত্ব বিকাশ কর্মসূচীর সংখ্যাতাত্ত্বিক সার-সংক্ষেপ প্রতিবেদন; জানুয়ারী-মার্চ, ২০১৮

ইস্যুভিত্তিক মাসিক ফলো-আপ প্রশিক্ষণ; জানুয়ারী- মার্চ, ২০১৮। ১৪৮ টি টার্গেট-এ ১১৮টি বিষয় ভিত্তিক ধারাবাহিক প্রশিক্ষণ এবং সভা ফলোআপ সম্পূর্ণ হয়েছে , অংশগ্রহণকারী টার্গেট-২৯৬৭জন, অংশগ্রহণকারী উপস্থিতির সংখ্যা-১৫৭২জন এবং উপস্থিতির শতকরা ৫৩%। জানুয়ারী- মার্চ, ২০১৮। বিকশিত নারী নেটওয়ার্কের কমিটি সভা ; জানুয়ারী- মার্চ, ২০১৮। গত জানুয়ারী- মার্চ, ২০১৮-এর মধ্যে বিকশিত নারী ১০টি ইউনিয়নে ১০টি ইউনিয়ন কমিটি সভা হয়েছে যার উপস্থিতি নারীনেত্রীর ১০৩ জন ।
এক নজরে নারীনেত্রীদের অর্জন জানুয়ারী- মার্চ, ২০১৮। বাল্যবিবাহ বন্ধ-৭৮, যৌতুক প্রতিরোধ-৫৬, নারী নির্যাতন প্রতিরোধ-৩৯, বিবাহ নিবন্ধন-২৯, নিরাপদ প্রসব-৯০, গর্ভবতী মায়ের টিকা-৩৬৪, গর্ভবতী মা ও নবজাতক শিশুর ওজন-১৭৫, স্বাস্থ্য সম্মত পায়খানা-১১৬, টিউবওয়েল স্থাপন-৫৫, আর্সেনিক পরীক্ষা-৫৮, বৃক্ষ রোপন-২৮৫, শিশু টিকা- ৮০৬, জন্মনিবন্ধন-৭২৯, প্রাথমিক স্কুলে ভর্তি-১৩২৮, ঝড়ে পড়া শিশু স্কুলে ভর্তি-৩৯২, বয়স্ক শিক্ষা-২৯০, গর্ভবতী মায়ের পুষ্টি-২৯৮, গর্ভবতী মায়ের স্বাস্থ্য পরীক্ষা-৩৯৩, দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ-১০৪, বৃক্ষরোপন -২৮৫ (তথ্যসূত্র: এমআইএস)

“বদলে দেবার সময় এখন, গ্রাম -শহরের নারীর জীবন”এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০১৮ পালন করা হয়। জাতিসংঘ থেকে নির্ধারিত প্রতিপাদ্য হলো-UN Women Theme for International Women’s Day, 8 March, is Time is Now: Rural and urban activists transforming women’s lives”। মূলত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন তথা ২০৩০ সালের মধ্যে কর্মে ও মর্যাদায় সকল স্তরে নারী-পুর “ষের সমতার পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেই জাতিসংঘ উক্ত প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করে। সারা দেশে ৮৬ টি স্থানে দিবসটি উদযাপিত হয়েছে। উপস্থিত নারী ৮৬৫৬ জন এবং পুরুষ ৪২৭০ জন।

উপজলো পরিষদের সংরক্ষিত মহিলা আসন নির্বাচন- (২৯ শে জানুয়ারী, ২০১৮)
গত ২৯ জানুয়ারী, ২০১৮ তারিখে সারাদেশে বিকশিত নারী নেটওয়ার্কের নারীনেত্রীগন ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য প্রায় ৫০জন উপজলো পরিষদের সংরক্ষিত মহিলা আসন নির্বাচনের প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তার মধ্যে ২৬ জন নারীনেত্রী উপজেলা পরিষদ সংরক্ষিত মহিলা আসন নির্বাচনের বিজয়ী লাভ করেন।

নারী নের্তৃত্ব বিকাশ কর্মসূচীর সংখ্যাতাত্ত্বিক সার-সংক্ষেপ প্রতিবেদন ; জুলাই-সেপ্টেম্বর, ২০১৭।

ইস্যুভিত্তিক মাসিক ফলো-আপ প্রশিক্ষণ; জুলাই- সেপ্টেম্বর, ২০১৭। ১৫৫ টি টার্গেট-এ ১৩৬টি বিষয় ভিত্তিক ধারাবাহিক প্রশিক্ষণ এবং সভা ফলোআপ স¤পূর্ণ হয়েছে , অংশগ্রহণকারী টার্গেট-৩৩৩০জন, অংশগ্রহণকারী উপস্থিতির সংখ্যা-১৮২২জন এবং উপস্থিতির শতকরা ৫৫%। জুলাই-সেপ্টেম্বর, ২০১৭। বিকশিত নারী নেটওয়ার্কের কমিটি গঠন/ পুন:গঠন; জুলাই- সেপ্টেম্বর, ২০১৭। ২৪টি ইউনিয়ন কমিটি পুন:গঠন গঠন করা হয়েছে , নারীনেত্রীর সংখ্যা- ৩৫১জন। ৬টি উপজেলা কমিটি গঠন করা হয়েছে তন্মধ্যে ৪টি নতুন উপজেলা কমিটি গঠন এবং ২টি পুন:গঠন করা হয়েছ, মোট নারীনেত্রীর সংখ্যা- ১১৯জন। ১টি জেলা কমিটি পুন:গঠন গঠন করা হয়েছে , নারীনেত্রীর সংখ্যা- ২৬জন। বিকশিত নারী নেটওয়ার্কের কমিটি সভা ; জুলাই- সেপ্টেম্বর, ২০১৭। গত জুলাই- সেপ্টেম্বর, ২০১৭-এর মধ্যে বিকশিত নারী নেটওয়ার্কের ১৭ টি ইউনিয়ন কমিটি পুন: গঠন করা হয়েছে। ২৮০জন নারীনেত্রী যুক্ত হয়েছেন। তাছাড়া ২৮টি ইউনিয়নে ২৮টি ইউনিয়ন কমিটি সভা হয়েছে এবং ৩টি জেলা কমিটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে যার উপস্থিতি নারীনেত্রীর ৪৩ জন । সর্বমোট ইউনিয়ন এবং জেলা কমিটি সভার উপস্থিত নারীনেত্রীর সংখ্যা ৩৪৭ জন । ইউনিয়ন ,উপজেলা এবং জেলা কমিটি গঠন, পু:নগঠন এবং ইউনিয়ন জেলা কমিটি সভা পরিচালিত হয়েছে বিকশিত নারী নেটওয়ার্কের কার্যক্রম পরিচালনা নীতিমালা অনুযায়ী ।
এক নজরে নারীনেত্রীদের অর্জন জুলাই-সেপ্টেম্বর, ২০১৭। বাল্যবিবাহ বন্ধ-৩৯, যৌতুক প্রতিরোধ-৩৪, নারী নির্যাতন প্রতিরোধ-২৯, বিবাহ নিবন্ধন-২৩, নিরাপদ প্রসব-৪৫, গর্ভবতী মায়ের টিকা-৫৯, গর্ভবতী মায়ের ওজন-৪১, স্বাস্থ্য সম্মত পায়খানা-৬২, টিউবওয়েল স্থাপন-১০, আর্সেনিক পরীক্ষা-১০, বৃক্ষ রোপন-৮১, শিশু টিকা- ৬৯২, জন্মনিবন্ধন-৫৮২, প্রাথমিক স্কুলে ভর্তি-৮৮, ঝড়ে পড়া শিশু স্কুলে ভর্তি-১৩৩, বয়স্ক শিক্ষা-৪৭১, সংগঠন-২০৭, গর্ভবতী মায়ের পুষ্টি-৩২, গর্ভবতী মায়ের স্বাস্থ্য পরীক্ষা-৯৪, দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ-৫৯, আয় বৃদ্ধিমূলক কর্মসূচী-৬৪৩, পুষ্টি-৩০। মোট ৪৩৩টি কর্মসূচিতে -১৯০২ জন নারী এবং ১১২৯জন পুরুষ স¤পৃত্ত হয়েছে। (তথ্যসূত্র: এমআইএস)

‘বিকশিত নারী নেটওয়ার্ক’ নারী নের্তৃত্ব বিকাশ কর্মসূচীর সংখ্যাতাত্ত্বিক সার-সংক্ষেপ প্রতিবেদন; জানুয়ারী-মার্চ, ২০১৭

ফাউন্ডেশন কোর্স পরবর্তী বিষয় ভিত্তিক ধারাবাহিক প্রশিক্ষণ এবং সভা ফলোআপ জানুয়ারী-মার্চ, ২০১৭: বিষয় ভিত্তিক ধারাবাহিক প্রশিক্ষণ এবং সভা ফলোআপ সম্পূর্ণ হয়েছে ১৪৫টি, অংশগ্রহণকারী টার্গেট-৩৩৯৩ জন, অংশগ্রহণকারী উপস্থিতির সংখ্যা-২০০৮ জন এবং উপস্থিতির শতকরা ৫৯%। জানুয়ারী-মার্চ, ২০১৭।

অঞ্চল ভিত্তিক ফাউন্ডেশন কোর্স পরবর্তী বিষয় ভিত্তিক ধারাবাহিক মাসিক ফলোআপ প্রশিক্ষণ এবং সভা: জেন্ডার বৈষম্য দুরীকরনের আর্থসামাজিক অবস্থা পরিবর্তনের জন্য নারীনেত্রীরা তাদের নিজ নিজ সমাজে উন্নয়নমূলক কাজ করে যাচ্ছেন। নিজ নিজ এলাকায় নারীনেত্রীরা অন্যান্য নারীদের সংগঠিত ও ক্ষমতায়িত করা, বাল্যবিবাহ, যৌতুক, নারী নির্যাতন প্রতিরোধে প্রচারণা এবং মাতৃস্বাস্থ্য উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ন অবদান রাখছে। দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-বাংলাদেশ’র কর্ম এলাকা ১০টি অঞ্চলে মোট ৩৩৯৩টি মাসিক ফলোআপ প্রশিক্ষণ এবং সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে জানুয়ারী-জুন, ২০১৭। সর্বমোট উপস্থিত অংশগ্রহণকারী নারীনেত্রীর সংখ্যা-২০০৮ জন এবং অংশগ্রহণকারী নারীনেত্রীদের টার্গেট সংখ্যা-৩৩৯৩ জন, যার শতকরা হার ৫৯%।

১। ঢাকা অঞ্চলে মাসিক ফলোআপ প্রশিক্ষণ এবং সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে-২টি, উপস্থিত নারীনেত্রীর টার্গেট-৩৭জন, উপস্থিত নারীনেত্রীর সংখ্যা-২৫জন ৬৮%
২। ময়মনসিংহ অঞ্চলে মাসিক ফলোআপ প্রশিক্ষণ এবং সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে-৩০টি, উপস্থিত নারীনেত্রীর টার্গেট-৮৫২জন, উপস্থিত নারীনেত্রীর সংখ্যা-৪৭৮জন ৫৬%
৩। খুলনা অঞ্চলে মাসিক ফলোআপ প্রশিক্ষণ এবং সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে-২৭টি, উপস্থিত নারীনেত্রীর টার্গেট-৫৫৬জন, উপস্থিত নারীনেত্রীর সংখ্যা-৩৫৭জন ৬৪%
৪। ঝিনাইদহ অঞ্চলে মাসিক ফলোআপ প্রশিক্ষণ এবং সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে-১০টি, উপস্থিত নারীনেত্রীর টার্গেট-২৭৬জন, উপস্থিত নারীনেত্রীর সংখ্যা-১৬৩জন, শতকরা ৫৯%
৫। বরিশাল অঞ্চলে মাসিক ফলোআপ প্রশিক্ষণ এবং সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে-৫টি, উপস্থিত নারীনেত্রীর টার্গেট-১৫০জন, উপস্থিত নারীনেত্রীর সংখ্যা-৯৫জন, শতকরা ৬৩%
৬। সিলেট অঞ্চলে মাসিক ফলোআপ প্রশিক্ষণ এবং সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে-৩৬টি, উপস্থিত নারীনেত্রীর টার্গেট-৬৩২জন, উপস্থিত নারীনেত্রীর সংখ্যা-৩৭৮জন, শতকরা ৬০%
৭। রংপুর অঞ্চলে মাসিক ফলোআপ প্রশিক্ষণ এবং সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে-৭টি, উপস্থিত নারীনেত্রীর টার্গেট-১৬০জন, উপস্থিত নারীনেত্রীর সংখ্যা-৮৭জন, শতকরা ৫৪%
৮। রাজশাহী অঞ্চলে মাসিক ফলোআপ প্রশিক্ষণ এবং সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে-২২টি, উপস্থিত নারীনেত্রীর টার্গেট-৫৯২জন, উপস্থিত নারীনেত্রীর সংখ্যা-৩৪২জন, শতকরা ৫৮%
৯। কুমিল্লা অঞ্চলে মাসিক ফলোআপ প্রশিক্ষণ এবং সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে-৪টি, উপস্থিত নারীনেত্রীর টার্গেট-৭২জন, উপস্থিত নারীনেত্রীর সংখ্যা-৪৫জন, শতকরা ৬৩%
১০। চট্রগ্রাম অঞ্চলে মাসিক ফলোআপ প্রশিক্ষণ এবং সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে-২টি, উপস্থিত নারীনেত্রীর টার্গেট-৬৬জন, উপস্থিত নারীনেত্রীর সংখ্যা-৩৮জন, শতকরা ৫৮ %

বিকশিত নারী নেটওয়ার্কের কমিটি সভা এবং গঠন/ পুন:গঠন; জানুয়ারী-মার্চ, ২০১৭। গত জানুয়ারী-মার্চ, ২০১৭-এর মধ্যে বিকশিত নারী নেটওয়ার্কের ৩ টি ইউনিয়ন কমিটি পুন: গঠন করা হয়েছে। ২১জন নারীনেত্রী যুক্ত হয়েছেন। তাছাড়া ৪১টি ইউনিয়নে ৪১টি ইউনিয়ন কমিটি সভা হয়েছে উপস্থিত নারীনেত্রীর সংখ্যা ৪৭২জন । ইউনিয়ন কমিটি পু:নগঠন এবং ইউনিয়ন কমিটি সভা পরিচালিত হয়েছে বিকশিত নারী নেটওয়ার্কের কার্যক্রম পরিচালনা নীতিমালা অনুযায়ী ।

‘সম-অধিকার নিশ্চিত করি, নারীবান্ধব বিশ্ব গড়ি’-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০১৭ পালন করা হয়। জাতিসংঘ থেকে নির্ধারিত প্রতিপাদ্য হলো-‘Women in the Changing World of Work: Planet 50-50 by 2030’। মূলত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন তথা ২০৩০ সালের মধ্যে কর্মে ও মর্যাদায় সকল স্তরে নারী-পুরুষের সমতার পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেই জাতিসংঘ উক্ত প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করে। সারা দেশে ৭৮টি স্থানে দিবসটি উদযাপিত হয়েছে। উপস্থিত নারী ১১১৯৬জন এবং পুরুষ ৮১৮৪জন।

এক নজরে নারীনেত্রীদের অর্জন জানুয়ারী-মার্চ, ২০১৭: সারা দেশব্যাপী নারীনেত্রীরা নিজ নিজ এলাকায় স্ব উদ্যোগে স্থানীয় পযার্য়ে বিভিন্ন কর্মসূচির বাস্তবায়নের মাধ্যমে অর্জন তুলে ধরা হয়েছে; জানুয়ারী-মার্চ, ২০১৭। কর্মসূচী গুলো হলো; বাল্যবিবাহ বন্ধ-৩৭ , যৌতুক প্রতিরোধ-২৬ নারী নির্যাতন প্রতিরোধ-১৭, বিবাহ নিবন্ধন-১৩, নিরাপদ প্রসব-৩০,গর্ভবতী মায়ের টিকা-৩২৬ গর্ভবতী মা ও নবজাক শিশুর ওজন-১৭০, স্বাস্থ্য সম্মত পায়খানা-৩৪ টিউবওয়েল স্থাপন-০৪ আর্সেনিক পরীক্ষা-০৫, বৃক্ষ রোপন-১৯১২, শিশু টিকা-নারী-৮১০, পুরুষ-৬২৮,জন্মনিবন্ধন-নারী ৩৪৮, পুরুষ-৩০২, প্রাথমিক স্কুলে ভর্তি -নারী ৬৬৩, পুরুষ-৫২৬ ঝড়ে পড়া শিশু স্কুলে ভর্তি- নারী ১২৬, পুরুষ-৯৪ বয়স্ক শিক্ষা -নারী ৩৩, পুরুষ-৬, সংগঠন-নারী-১৩০, পুরুষ-১৭ গর্ভবতী মায়ের পুষ্টি-৫৪১, গর্ভবতী মায়ের স্বাস্থ্য পরীক্ষা-১২৯, দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ- নারী-১০৯, পুরুষ-২০, আয় বৃদ্ধিমূলক কর্মসূচী-নারী-৬৭৮, পুরুষ-৫৫৭। (তথ্যসূত্র: এমআইএস)

নেটওয়ার্ক কার্যক্রমের কিছু ফটোগ্রাফী:

‘বিকশিত নারী নেটওয়ার্ক’ মাসিক ফলোআপ প্রশিক্ষণ ও সভার সংখ্যাতাত্ত্বিক সার-সংক্ষেপ প্রতিবেদন; জানুয়ারী-ডিসেম্বর ২০১৫

নারীর ক্ষমতায়ন ইউনিট দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-বিকশিত নারী নেটওয়ার্কের ৭৭৭ টি বিষয় ভিত্তিক ধারাবাহিক ফলোআপ প্রশিক্ষণ এবং সভা সমপূর্ণ হয়েছে, অংশগ্রহণকারী টার্গেট-১৮২৩৩ জন, অংশগ্রহণকারী উপসি’ তির সংখ্যা-১২৭০৯ জন এবং উপসি’ তির শতকরা ৬৯%। জানুয়ারী-ডিসেম্বর, ২০১৫। অঞ্চল ভিত্তিক ফাউন্ডেশন কোর্স পরবর্তী বিষয় ভিত্তিক ধারাবাহিক মাসিক ফলোআপ প্রশিক্ষণ এবং সভা : জানুয়ারী-ডিসেম্বর ২০১৫, সারাদেশে  ১০টি অঞ্চলের মোট  ৭৭৭টি মাসিক ফলোআপ প্রশিক্ষণ এবং সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সর্বমোট উপস্থিত অংশগ্রহণকারী  নারীনেত্রীর সংখ্যা ১২৭০৯ জন । অংশগ্রহণকারী  নারীনেত্রীদের টার্গেট সংখ্যা- ১৮২৩৩ জন, শতকরা হার ৬৯%। জানুয়ারী-জুন ২০১৫।

কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি সভার প্রতিবেদন

গত ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ তারিখে বিকশিত নারী নেটওয়ার্ক কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি সভা দি হাঙ্গার প্রজেক্টে, ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সভার বিষয়সূচি বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
• স্বাগত বক্তব্য
• শুভেচ্ছা বিনিময়
• সাংগঠনিক প্রতিবেদন উপস্থাপন
• অভিজ্ঞতা বিনিময়
• কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষ্যে গৃহীত কার্যক্রম সম্পর্কে আলোচনা

স্বাগত বক্তব্য: জনাব রাশেদা আখতার সভাপতি বিকশিত নারী নেটওয়ার্ক, উপস্থিত সবাইকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন। সভার শুরুতে এই আয়োজনের জন্য হাঙ্গার প্রজেক্টের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, অনেক দিন পর সকলে একত্রিত হয়েছি, তবে আমাদের মধ্যে দুরত্ব থাকলেও হাঙ্গার প্রজেক্টের বিভিন্ন কাজের সাথে যুক্ত থাকায় আমাদের সকলের কাজের ক্ষেত্র একই। আমাদের মধ্যে স্যার (ড.বদিউল আলম মজুমদার) উপস্থিত আছেন, তিনি আমাদের সর্বদা আশান্বিত এবং কাজে অনুপ্রানিত ও উৎসাহীত করেন, ফলে আমরা কাজের অনুপ্রেরণা পাই। Continue reading “কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি সভার প্রতিবেদন”

নারী নেতৃত্ব বিকাশ বিষয়ক ২০৪তম ফাউন্ডেশন কোর্স

foundation_course_23_24_2015রাজশাহী অঞ্চলের গত ২২-২৪ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে বিকশিত নারী নেটওয়ার্কের  নারী নেতৃত্ব বিকাশ বিষয়ক ২০৪তম ফাউন্ডেশন কোর্স অনুষ্ঠিত হয় । প্রশিক্ষণের স্থান: ঠেঁঙ্গামারা মহিলা সবুজ সংঘ প্রশিক্ষন কেন্দ্র (টিএমএসএস),পারুলিয়া, জয়পুরহাট। Continue reading “নারী নেতৃত্ব বিকাশ বিষয়ক ২০৪তম ফাউন্ডেশন কোর্স”

পঞ্চম জাতীয় সম্মেলন

১৩ নভেম্বর, ২০১৪, ইনস্টিটিউট অফ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ
আমাদের অঙ্গীকার
আমরা, সহস্রাধিক নারী সংগঠক, যারা বিকশিত নারী নেটওয়ার্ক-এর সদস্য, দেশের বিভিন্ন প্রান- থেকে আজ ১৩ নভেম্বর, ২০১৪ ঢাকায় সমবেত হয়েছি। আমরা ইতোমধ্যে নিজ এলাকায় আমাদের, বিশেষ করে নারীদের জীবনমানের উনয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। আমরা এখানে একত্রিত হয়েছি এ সফলতাগুলো উদ্‌যাপন, আমাদের সংগ্রামের অভিজ্ঞতাগুলো বিনিময় এবং একইসঙ্গে ভবিষ্যত কর্মকৌশল নির্ধারণ করতে।
আমরা জানি যে, প্রসূতি মা ও নবজাতক শিশুর মৃত্যুহার কমানো, টিকাদানসহ শিশুদের উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ, উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে নারীর অংশগ্রহণ এবং তাদের সার্বিক জীবনমানের উন্নয়নে বাংলাদেশের অগ্রগতি যথেষ্ট ইতিবাচক। কিন’ একইসঙ্গে আমরা উদ্বেগের সাথে লক্ষ করছি যে, সারা দেশে নারী ও কন্যাশিশুদের প্রতি সহিংসতা ব্যাপক হারে বেড়েই চলেছে। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ-এর তথ্যমতে, চলতি বছরের (২০১৪) জানয়ারি থেকে জুন মাস পর্যন- গত ছ’মাসে দেশে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ৪৩১টি এবং ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে ৪৫ জনকে। ইউনিসেফ-এর সামপ্রতিক দুটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ায় বাল্যবিবাহ ও কিশোরী নির্যাতনের দিক থেকে শীর্ষে বাংলাদেশ। দেশে এখনও ৬৬ শতাংশ বিয়েতেই কনের বয়স থাকে ১৮ বছরের নীচে। এছাড়াও বাংলাদেশের বিপুল সংখ্যক নারী ও কন্যাশিশু ক্ষুধা, অপুষ্টি ও পাচারের শিকার। সমাজের বিভিন্ন স-রে সিদ্ধান- গ্রহণ, সুযোগ ও মৌলিক সেবা গ্রহণে নারীদের অভিগম্যতা ও সম-অংশগ্রহণের সুযোগ অত্যন- সীমিত। এই সম্মেলন থেকে আমরা ঘোষণা করছি যে,এ সকল অন্যায্য ও অমানবিক অবস্থা অবসানের লক্ষ্যে এবং নারী তথা সকল নাগরিকের জন্য সমৃদ্ধ ও আত্নমর্যাদাপূর্ণ ভবিষ্যত গঠনে বদ্ধ পরিকর।
Continue reading “পঞ্চম জাতীয় সম্মেলন”

চতুর্থ জাতীয় সম্মেলন

এল,জি,ই,ডি মিলনায়তন, ঢাকা, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১২
আমাদের অঙ্গীকার
বিকশিত নারী নেটওয়ার্কের চতুর্থ জাতীয় কনভেনশন থেকে আমরা, তৃণমূলের একদল নারী সংগঠক নারী-পুরুষের সমতা ভিত্তিক ক্ষুধামুক্ত, আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় পুন:ব্যক্ত করছি। আমরা এমন একটি টেকসই ভবিষ্যৎ বিনির্মাণ করতে চাই, যেখানে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে আত্মনির্ভরশীল ও আত্মমর্যাদাপূর্ণ জীবন গঠনের সুযোগ সৃষ্টি পাবে। নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের থাকবে স্বচ্ছল ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন গঠনের অধিকার। সমাজের প্রতিটি স্তরের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় থাকবে নারীর অন্তর্ভূক্তি ও সমঅংশগ্রহণ। সকলের জীবন হবে নিরাপদ। এই প্রত্যাশাকে ধারণ করে, তৃণমুলে নারী নেতৃত্ব বিকাশের মাধ্যমে আমরা যে গণজাগরণ সৃষ্টির উদ্যোগ নিয়েছি তা বেগবান করার লক্ষ্যে এই কনভেনশন থেকে আমরা কতকগুলো কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রত্যয় ব্যক্ত করছি।
Continue reading “চতুর্থ জাতীয় সম্মেলন”

তৃতীয় জাতীয় কনভেনশন

এল,জি,ই,ডি মিলনায়তন, ঢাকা, ১৪ মে, ২০১০
আমাদের অঙ্গীকার।
বিকশিত নারী নেটওয়ার্কের তৃতীয় জাতীয় কনভেনশন থেকে আমরা তৃণমূলের একদল নারী সংগঠক নারী-পুরুষের সমতা ভিত্তিক ক্ষুধামুক্ত, আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় পুন:ব্যক্ত করছি। আমরা এমন একটি টেকসই ভবিষ্যৎ বিনির্মাণ করতে চাই, যেখানে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে প্রত্যেকে আত্মনির্ভরশীল ও আত্মমর্যাদাপূর্ণ জীবন অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি হবে। নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের থাকবে মালিকানাবোধ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন অর্জনের অধিকার। প্রতিটি স্তরের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় থাকবে নারীর অন্তর্ভূক্তি ও সমঅংশগ্রহণ। সকলের জীবন হবে নিরাপদ। এই প্রত্যাশাকে ধারন করে, তৃণমুলের নারী নেতৃত্ব বিকাশের মাধ্যমে আমরা যে গণজাগরণ সৃষ্টির উদ্যোগ নিয়েছি তা বেগবান করার লক্ষ্যে এই কনভেনশন থেকে আমরা কতকগুলো কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছি।
আমরা বিশ্বাস করি যে, আমাদের, বিশেষতঃ নারীদের সচেতন, সক্রিয় ও সংগঠিত করে তাদের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা ও সৃজনশীল প্রতিভার বিকাশ ঘটিয়ে আমাদের প্রত্যাশিত আত্মনির্ভরশীল ভবিষ্যৎ অর্জন করা সম্ভব। আর এ উপলব্ধি থেকে আমরা স্বেচ্ছাব্রতী হয়ে সারা দেশে অগ্রাধিকারভিত্তিতে নিম্নোক্ত কার্যক্রম বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করছি। Continue reading “তৃতীয় জাতীয় কনভেনশন”